নারায়ণগঞ্জে পশ্চিম তল্লা বাইতুস সালাত জামে মসজিদে ভয়াবহ বিস্ফোরণের মামলায় মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবদুল গফুরকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি পুলিশ। গত শুক্রবার রাত ১০টায় তল্লা রেললাইন এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গতকাল সকালে আবদুল গফুরকে দুইদিনের রিমান্ডের আবেদন করে নারায়ণগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়। এদিকে বিস্ফোরণের ঘটনায় ৩৬ জনকে অভিযুক্ত করে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন সিআইডি কর্মকর্তা।
দুপুরে সিআইডি পুলিশের নারায়ণগঞ্জের বিশেষ পুলিশ সুপার নাসির উদ্দিন তার কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান। তিনি আরো জানান, মামলাটির তদন্তভার গ্রহণের পর থেকেই মসজিদ কমিটির সভাপতি আবদুল গফুরকে সিআইডির নজরদারিতে রেখে বিভিন্ন সময় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তদন্তে তার গাফিলতি এবং অবহেলার সুস্পষ্ট তথ্যপ্রমাণ পাওয়ায় এ মামলায় তাকে গ্রেফতার করে সিআইডির হেফাজতে রাখা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া তদন্তে যাদের গাফিলতির প্রমাণ হচ্ছে তাদের সবাইকে পর্যায়ক্রমে আইনের আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এ মামলার চার্জশিট দাখিল করা হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন সিআইডির জেলা পুলিশ সুপার।
তিনি জানান, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে মামলার অভিযুক্ত প্রায় ৩৬ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।
এর আগে বিস্ফোরণের ঘটনায় মসজিদ কমিটি, তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও ভবন নির্মাণসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর গাফিলতি ও অবহেলার অভিযোগ এনে ফতুল্লা থানার এসআই হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্তভার দেয়া হয় সিআইডিকে।
এ মামলায় তিতাসের আট কর্মকর্তা-কর্মচারী, ডিপিডিসির দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে বিদ্যুৎ মিস্ত্রী মোবারক হোসেনের জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন আদালত। তিতাসের আটজন জামিনে রয়েছেন।










