বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ উঁকিঝুঁকি মারছে, ফ্যাসিস্টরা উঁকিঝুঁকি মারছে, এই ঐক্য ভাঙা যাবে না। এই সরকারকে ব্যর্থ হতে দেয়া যাবে না। আমরা এ সরকারকে আসা মাত্রই সমর্থন দিয়েছি, সরকারকে আমরা এখনো সমর্থন দিচ্ছি। আমরা চাই এই সরকার গণতন্ত্রের অধিকার ফিরিয়ে আনবে। তার জন্য আমরা সবাই মিলে কাজ করব। জনপ্রতিনিধিত্বহীন কোনো সরকার জনগণের কথা বুঝবে না, জনগণের কষ্ট বুঝবে না। কারণ বুঝতে হলে জনগণের কাছে যেতে হবে, জনগণের পাশে থাকতে হবে, জনগণের দুঃখ-দুর্দশা বুঝতে হবে।’
শনিবার (৯ নভেম্বর) বিকালে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির উদ্যোগে র্যালি পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় বিএনপির চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলার নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘শেখ মুজিবুর রহমান বয়ান দিয়ে কিছুদিন স্বৈরাচারী রাষ্ট্র চালিয়েছেন। পরবর্তীতে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আরেক বয়ান দিয়েছেন। আর দেশে এখন নতুন করে ‘‘সংস্কারের বয়ান’’ চলছে। বাংলাদেশে কখন নির্বাচন হবে তা এই বয়ানের মধ্যে নেই। বাংলাদেশের জনগণ কবে ভোট দিয়ে সরকার নির্বাচিত করবে সেই বয়ান নেই। বাংলাদেশের মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেয়ে একটি গণতান্ত্রিক দেশ হবে সেই বয়ান নেই। তারেক রহমান যে ঐক্যের ডাক দিয়েছেন তা অটুট থাকতে হবে। ঐক্য অটুট রেখে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার দিকে যেতে হবে। নির্বাচনের দিকে যেতে, নির্বাচিত সরকারের দিকে যেতে হবে; যারা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে।’
আমীর খসরু বলেন, ‘৬ বছর আগে বেগম খালেদা জিয়া সংস্কারের কথা বলেছিলেন। আমরা জনগণের কথা বুঝেছি বলে আমরা বিভিন্ন প্রস্তাবনা দিয়েছি। এক বছর আগে তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা সবাই একটি নতুন সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছি। ওই সংস্কারে সবকিছু আছে, কোনো কিছু বাকি নেই। নির্বাচনের মাধ্যমে যে সংসদ হবে তারা সিদ্ধান্ত নেবে, সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। এর বাইরে অনির্বাচিত কারো কোনো অধিকার নেই। জাতীয় ঐক্যমতের পরিপ্রেক্ষিতে যতটুকু সম্ভব, সহসা তা সমাধান করে নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। জাতি তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধি ও একটি নির্বাচিত সরকার দেখতে চায়। এ কারণেই ঐক্য ঘটানো হয়েছে।’










