বন্ধ পাটকল চালুর দাবিতে খুলনায় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদ।  এক পর্যায়ে পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে ১২ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ২ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ও ৭ রাউন্ড টিয়ারশেল ও লাঠিচার্জ করে পুলিশ।  আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। 

জানা  গেছে, বেলা ১১টা থেকে ইস্টার্ন গেটে খুলনা যশোর মহাসড়ক অবরোধ শুরু বিক্ষোভ শুরু করেন পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদের নেতাকর্মীরা। কিছুক্ষণ পর পুলিশ এসে তাদের তুলে দিলে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এতে 

নাজমা খাতুন, খাদিজা বেগম, হাফিজা বেগম, সুমি রায়, শেফালী বালা, সুচিত্রা বিশ্বাস, সাফিয়া আহত হন।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) এডিসি (উত্তর) সোনালী সেন বলেন, শ্রমিকরা পুলিশের ওপর ইট পাটকেল নিক্ষেপ করলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তত্পর হয়। এ বিষয়ে বিস্তারিত মিডিয়া সেল থেকে জানানো হবে।      

পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কুদরত-ই-খুদা বলেন, শ্রমিকরা সকালে শান্তিপূর্ণ অবরোধ শুরু করে। পুলিশ সবাইকে তুলে দেয়ার পর উত্তজনা সৃষ্টি হয়। এরপর পুলিশের লাঠিচার্জ ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপে ৯ জন শ্রমিক আহত হন। এর মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর।  আহতদের মধ্যে তাসনিম শ্যামলকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদের নেতারা বলেন, বিজিএমসির দুর্নীতি ও লুটপাটের কারণে পাটকলে লোকসান হয়েছে। লুটপাটের জন্যই পাটকল ও পাটশিল্প আজ ধ্বংসের পথে। অথচ বিজিএমসির দুর্নীতি ও লুটপাটের ফলে সৃষ্ট লোকসানের দায় সাধারণ পাটকল শ্রমিকদের ওপর চাপাচ্ছে। 

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া গণসংহতি আন্দোলন খুলনা জেলা কমিটির আহ্বায়ক ও পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদের সদস্য মুনীর চৌধুরী সোহেল বলেন, বিনা উস্কানিতে পুলিশ শ্রমিকদের ওপর হামলা চালায়। এর ফলে ২ জন শ্রমিক গুরুতর আহত হন।