আন্তর্জাতিক চক্রান্তের অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দরকে বিদেশী প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। চট্টগ্রাম বন্দর শুধু একটি অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান নয়, এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। অতীতে বিদেশী শক্তি এ বন্দর দখল করে দেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে নিয়েছিল। উন্নয়নের ধুয়া তুলে বন্দরকে বিদেশীদের হাতে তুলে দেয়ার পাঁয়তারা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি এসএম লুৎফর রহমান।
গতকাল সকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চত্বরে আয়োজিত মানববন্ধনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি টার্মিনাল আন্তর্জাতিক দরপত্র ছাড়াই বিদেশী অপারেটরের হাতে তুলে দেয়ার উদ্যোগের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি আয়োজন করে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগর শাখা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার এ বন্দর বিদেশীদের হাতে তুলে দেয়ার পরিকল্পনা করেছিল। এখন সে সরকারের দোসররা তড়িঘড়ি করে অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করতে চাইছে। বন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হলে প্রকাশ্য দরপত্রের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কোনো গোপন চুক্তি বা দলিলের মাধ্যমে বন্দর হস্তান্তর করা হলে শ্রমিক সমাজ তা মেনে নেবে না। বন্দর কর্তৃপক্ষ অন্যায়ভাবে শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার হরণ করেছে। শ্রমিকরা এ বন্দরের সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি, অথচ তাদের ওপর চালানো হচ্ছে জুলুম ও নির্যাতন। আমরা অবিলম্বে ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার ফিরিয়ে দেয়ার দাবি জানাচ্ছি। শ্রমিকদের সিবিএ নির্বাচন, সভা সমাবেশের অধিকার, ন্যায্য মজুরি ও ঝুঁকিভাতা নিশ্চিত করতে হবে।










