সাতদিন সময় বেঁধে দিয়ে আন্দোলন স্থগিত করেছেন সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে গতকাল দুপুর ১২টা থেকে তারা কাজে যোগ দিয়েছেন। অন্যদিকে দুই শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি দিব্য সরকারকে (২৪) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ খবরেই ক্ষোভ প্রশমিত হয় শিক্ষার্থীদের।

ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডা. মতিউর রহমান জানান, ওসমানী মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরাও তাদের আন্দোলন স্থগিত করেছেন। এর আগে তারা গতকাল সকালে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। বৈঠকটি ওসমানী মেডিকেল কলেজের হল রুমে আয়োজিত হয়েছে। এতে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে ওসমানীর ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. আব্দুল মোন্তাকিম চৌধুরী বলেন, মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার হয়েছে এবং ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা বাড়াতে প্রশাসন দ্রুততম সময়ে কার্যক্রম গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে। এ আশ্বাসের ভিত্তিতে আমরা আমাদের আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিত করেছি। তবে সাতদিনের মধ্যে সব আসামি গ্রেফতার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে আবার আন্দোলনে নামব।

অন্যদিকে বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দুই শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি দিব্য সরকারকে (২৪) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দিব্য মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকা কাজলশাহ ৫২ নং বাসার রমনি কান্ত সরকারের ছেলে।

গত সোমবার রাতে দুই শিক্ষার্থীর ওপর হামলার ঘটনায় আন্দোলনে নামেন ওসমানী মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা। তাদের হয়ে সেবা বন্ধ রেখে হাসপাতাল ছেড়ে রাস্তায় নামেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুবুর রহমান ভূইয়া বলেন, আন্দোলনকারীদের দাবি-দাওয়া মেনে নেয়া হয়েছে। ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কাজেও যোগ দিয়েছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসছে বলে জানান তিনি।