জনগণের ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে সব ধরনের অধিকার নিশ্চিত করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এ দেশের সকল ধর্মের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করা হবে। কৃষকের ফসলের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা হবে, শ্রমিকের ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করব। আর বিনা কারণে গায়েবি মামলা এবং হত্যা ও খুন যেন করা না হয় এটি নিশ্চিত করব।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) ঠাকুরগাঁও সদরে শিবগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে সদর উপজেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় বিএনপি মহাসচিব এ কথা বলেন।
আবার ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাস্তায় নামার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা শান্তিতে ঘুমাতে চাই। আপনারা কি সত্যি সত্যি পরিবর্তন চান, না আবার আওয়ামী লীগের নৌকায় ফিরে যেতে চান। তাহলে ৫ আগস্ট সবাই যেভাবে রাস্তায় নেমেছিলেন, আবার সেই একইভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমাদের মাঠে নামতে হবে। রাস্তায় নামতে হবে অধিকার আদায়ের জন্য, ভোটের অধিকার আদায়ের জন্য। ভাতের অধিকারের জন্য, ন্যায় বিচার ও সামাজিক মর্যাদা পাওয়ার জন্য।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দেশে বাকশাল কায়েম করে টিকতে না পেরে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে পালাতে বাধ্য হয়েছেন শেখ হাসিনা।
তবে ভারতে গিয়ে শেখ হাসিনা ষড়যন্ত্রের জাল বিছিয়ে দেশে সাম্প্রদায়িক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে অভিযোগ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশ ছেড়ে ওপাড়ে পালিয়ে গিয়ে হাসিনা ওখান থেকে ষড়যন্ত্র করছে, চক্রান্ত করছে। একটা মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে—এখানে নাকি আমাদের হিন্দু ভাইদের ওপর অত্যাচার করা হচ্ছে। আমরা খুব শান্তিপ্রিয় মানুষ। আমরা সব সময় হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, মুসলমান একসঙ্গে বসবাস করি। আমাদের দেশে কোনো সাম্প্রদায়িকতা নাই।
ছাত্র-জনতাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, আমি ছাত্র-জনতাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই, আমাদের ভাইয়েরা ১৫ বছর লড়াই করেছেন, তাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। তারা নিজেদের বুকের রক্ত ঢেলে দিয়ে আমাদের জন্য একটা সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছেন। যেন আমরা দেশে আবার একটা গণতান্ত্রিক পথ সৃষ্টি করতে পারি। আমরা এখানে সব মানুষের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে চাই। কেউ তিনবার ১৫ বছর ধরে ভোট দিতে পারেন নাই। এই ভোটের অধিকারটা আমরা ফিরিয়ে দিতে চাই।










