বিদেশগামী শিক্ষার্থীদের সনদ সত্যায়ন প্রক্রিয়া সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এবং এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এখন থেকে শিক্ষার্থীরা মাইগভ প্ল্যাটফর্মে সনদের জন্য আবেদন করে 'একপে' ব্যবহার করে ফি জমা দিতে পারবে। ইউজিসির আওতাধীন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীরা এ সুবিধা পাবে।
মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ইউজিসি কার্যালয়ে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
ইউজিসির সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম, এটুআইয়ের প্রকল্প পরিচালক মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার ও কল্যাণ বিভাগের মহাপরিচালক ড. শাহ্ মোহাম্মদ তানভির মনসুর নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এসএমএ ফায়েজ, সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. সাইদুর রহমান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ নজরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক এসএমএ ফায়েজ বলেন, এখন থেকে শিক্ষার্থীরা অনলাইনে সনদের ফি জমা দিতে পারবে। তিনি এই উদ্যোগের সফল বাস্তবায়নে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, সব বিশ্ববিদ্যালয়কে অনলাইন সনদ সত্যায়নের আওতায় আনা কঠিন ছিল। এই প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য তিনি ইউজিসিকে ধন্যবাদ জানান। তিনি দেশের বাইরের দূতাবাসেও অনলাইন সনদ সত্যায়নের উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান।
এ চুক্তির আওতায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এপোস্টিল সিস্টেম বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় নীতিমালা তৈরি করবে ও সব পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করবে। ইউজিসি দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এটি বাস্তবায়নে নির্দেশনা জারি করবে এবং সত্যায়ন ফি পরিশোধের বিষয়ে শিক্ষার্থীদের অবহিত করবে। একপে সিস্টেম সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে প্রয়োজনীয় এক্সেস সরবরাহ করবে।
বৈঠকে দেশীয় সফটওয়্যার ব্যবহার ও জনপ্রিয় করার পাশাপাশি অনলাইন সনদ সত্যায়নের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা জোরদার করার পরামর্শ দেয়া হয়।
উল্লেখ্য, বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও চাকরির জন্য শিক্ষার্থীদের এপোস্টিল পদ্ধতিতে অনলাইনে সনদ সত্যায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সময়, শ্রম ও অর্থ সাশ্রয় হবে।










