মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান থানা ও সহকারী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় ৬০ জনকে আসামি করে মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার দিন বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে থানার উপপরিদর্শক রোজিনা খাতুন বাদী হয়ে সিরাজদিখান থানায় এ মামলা দায়ের করেন।
নিখোঁজ স্কুলছাত্রের মরদেহ দাফনের পর শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
এ মামলায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে ও ৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। এছাড়া ভাংচুরের কারণে ৯০ লাখ টাকা ক্ষয়ক্ষতির দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে হামলায় ১৪ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার বিভিন্ন স্থানে যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে থানায় হামলা-ভাংচুরে জড়িত দুজনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন উপজেলার সিংপাড়া গ্রামের মো. সেন্টু ওরফে গরম সেন্টু (৫৩) ও আরিগাঁও গ্রামের মো. মাহিম বেপারি (২৭)।
সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার হাফিজুর রহমান মামলার এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, নিখোঁজ স্কুলছাত্র রোমান শেখের (১৫) সন্ধানের দাবিতে মানববন্ধন থেকে অতর্কিতভাবে সিরাজদিখান থানা ও সহকারী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় থানার ডিউটি অফিসারের কক্ষসহ থানা ভবনটিতে ব্যাপক ভাংচুর চালানো হয়। এ সময় পুলিশের দুটি পিকআপ ও তিনটি প্রাইভেটকারও ভাংচুর করা হয়।










