প্রায় ২ কোটি টাকা শুল্ক পরিশোধ ছাড়াই আমদানিকারকের অনুকূলে ছাড়পত্র প্রদানের ঘটনায় সোনালী ব্যাংকের বেনাপোল শাখা ব্যবস্থাপক আক্তার ফারুককে অপসারণ করা হয়েছে। আর্থিক অনিয়মের এ বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে আসার পর বৃহস্পতিবার তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় কাস্টমস হাউজ ও সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীদের মধ্যেও চলছে তোলপাড়।
সোনালী ব্যাংক বেনাপোল শাখা সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি খালিদ এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠান ফল আমদানির ১ কোটি ৯৬ লাখ টাকার শুল্ক পরিশোধ না করলেও ওই ব্যাংক থেকে পরিশোধ ছাড়পত্র দেয়া হয়। আমদানিকারকের পক্ষে কাস্টম হাউজে বেনাপোলের সিএন্ডএফ এজেন্ট আলেয়া এন্টারপ্রাইজের মো. শান্তর দাখিল করা বিল অব এন্ট্রির ফাইলে সংযুক্ত করা হয় ওই ছাড়পত্র। বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে এলে গত সপ্তাহে একটি তদন্ত দল সোনালী ব্যাংক বেনাপোল শাখায় আকস্মিক অভিযান চালিয়ে অভিযোগের সত্যতা পায়। এরপর তদন্ত দলের সদস্যরা আর্থিক অনিয়মের বিষয়টি সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে।
এদিকে শুল্ক পরিশোধ ছাড়াই ছাড়পত্র প্রদানের বিষয়টি ধরা পড়ার পর সিএন্ডএফ এজেন্ট আলেয়া এন্টারপ্রাইজ কর্তৃপক্ষ ওই টাকা জমা দেয়।
সোনালী ব্যাংক যশোর করপোরেট শাখার উপমহাব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এলসির টাকা পরিশোধ না করে কাগজপত্র নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে একটি প্রতিষ্ঠান। পরে আমরা টাকা নিয়ে চালান দিয়েছি। আর শাখা ব্যবস্থাপককে যশোরে বদলি করা হয়েছে।
সোনালী ব্যাংক বেনাপোল শাখার ব্যবস্থাপক আক্তার ফারুক জানান, খালিদ এন্টারপ্রাইজের কাছ থেকে টাকা বুঝে নিয়ে এলসির কাগজ ছাড়া হয়েছে। তবে আমাকে যশোর শাখায় বদলি করা হয়েছে।










