খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ ২৪ ঘণ্টায় ৪৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। জেলায় একদিনে এটেই সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড। 

গতকাল মঙ্গলবার খুলনা মেডিকেল কলেজের (খুমেক) আরটি-পিসিআর ল্যাবে তাদের নমুনা পরীক্ষা হয়। পজিটিভদের ৩১ জনই মহানগরীর, বাকিদের মধ্যে রূপসা উপজেলার ১০ জন, দাকোপের ৩ জন, ডুমুরিয়ার ২ জন, তেরখাদার ২ ও পাইকগাছা ১ জন রয়েছেন।  এদিকে খুলনায় ১৪টি স্থানে রেড জোনের সুপারিশ করা হয়েছে। অধিক সংক্রমণ এলাকা চিহ্নিত করে জেলা প্রশাসনকে সিভিল সার্জন অফিস থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বৈঠকের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।’

খুলনা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. শেখ সাদিয়া মনোয়ারা উষা জানান, মঙ্গলবার খুমেকের পিসিআর মেশিনে ১৮৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। যার মধ্যে খুলনার নমুনা ছিলো ১৮৩টি। এর ৪৯টি নমুনা পজিটিভ এসেছে। 

খুলনা সিভিল সার্জনের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, একদিনে খুলনায় পজিটিভ শনাক্ত হওয়া এটিই সর্বোচ্চ। এর আগে একদিনে সর্বোচ্চ ৪৫ জন শনাক্ত হয়। এ নিয়ে খুলনা জেলা ও মহানগরীতে এখন পর্যন্ত ৪৯২ জন পজিটিভ শনাক্ত হল। আর মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। 

এদিকে সংক্রমণ এড়াতে খুলনার চৌদ্দটি পয়েন্টকে ‘রেড জোন’ করার সুপারিশ করেছেন জেলা সিভিল সার্জন। এসব পয়েন্ট হচ্ছে- খুলনা মহানগরীর ৮, ৯, ১৪, ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২১, ২২, ২৪, ২৮ ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ড এবং দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ও রূপসা উপজেলার আইচগাতি এলাকা। মঙ্গলবার বিকালে এ সব এলাকাকে রেড জোন করার সুপারিশ জানিয়ে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালককে চিঠি দেওয়া হয়েছে। খুলনা সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ বলেন, ‘জোনভিত্তিক লকডাউনের মাধ্যমে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। কোথায় লকডাউন হবে তার তালিকা স্থানীয় প্রশাসন ঠিক করবে।