কোরবানির পশুর হাটের বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শেষে রাজধানীর তেজগাঁও পলিটেকনিক খেলার মাঠ ও তার আশেপাশের সড়ক ডিভাইডারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

আজ সোমবার আয়োজিত এ কর্মসূচিতে তিনি বলেন, কোরবানির পশুর হাটের কারণে উত্তরার মেট্রোরেল এলাকার কিছু গাছপালা আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হলেও নতুন করে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সেখানে আগের চেয়ে আরো সুন্দর ও মনোরম পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকার ও ডিএনসিসিকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ছবি ব্যবহার করে উত্তরার মেট্রোরেল এলাকার সবুজায়ন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। এ বিষয়ে প্রকৃত পরিস্থিতি দেখতে সাংবাদিকদের সরেজমিন পরিদর্শনের আহ্বান জানান তিনি।

প্রশাসক বলেন, ‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন ঢাকা’ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে তেজগাঁও পলিটেকনিক মাঠে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ডিএনসিসির শিল্পাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় এ কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে।

কোরবানি-পরবর্তী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ঈদের ৭২ ঘণ্টা পরও ডিএনসিসির ইজারাকৃত পশুর হাটগুলোয় বর্জ্য ও বাঁশের কাঠামো অপসারণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বিভিন্ন হাট পরিদর্শনে দেখা গেছে, অনেক স্থানে অপসারণকাজ এরইমধ্যে শেষ হয়েছে এবং বাকি স্থানগুলোয় কাজ চলছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হাটের ইজারাদাররা বর্জ্য ও বাঁশের ফ্রেম অপসারণের দায়িত্ব পালন করছেন। তবে কোনো ইজারাদার দায়িত্ব পালনে গাফিলতি করলে তাদের জামানত থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নগর উন্নয়ন, নগর পরিকল্পনা ও কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমে তথ্যগত সহযোগিতার জন্য সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানান ডিএনসিসি প্রশাসক। তিনি বলেন, নগরবাসী ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতায় রাজধানীর অলিগলি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব হয়েছে এবং নিয়মিত গৃহস্থালি বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।