নারায়ণগঞ্জ শহরের খানপুরে করোনার চিকিৎসায় নির্ধারিত ৩০০ শয্যা হাসপাতালে আটদিন চিকিৎসা নেয়ার পর মারা যান এক নারী। করোনা আক্রান্ত সন্দেহে ওই নারীকে ফেলে পালিয়ে যান তার স্বজনরা। গত্যান্তর না দেখে সিটি করপোরেশনের লোকজন তার দাফন সম্পন্ন করে। তবে সেই নারীর নমুনা পরীক্ষায় করোনা নেগেটিভ এসেছে।
ওই নারীর মৃত্যুর পর হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্তরা জানিয়েছিলেন, করোনা আক্রান্ত নারী চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক সামসুদ্দোহা সঞ্চয় বলেন, ওই নারীর নমুনা পরীক্ষায় করোনা নেগেটিভ এসেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২৯ এপ্রিল করোনা উপসর্গ সর্দি-জ্বর নিয়ে ওই নারীকে শহরের খানপুর ৩০০ শয্যা করোনা হাসপাতালে ভর্তি করেন তার স্বামী পরিচয়ে এক ব্যক্তি। সেখানে ওই নারীর করোনার পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়। নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হলেও তার পরীক্ষার রিপোর্ট আসেনি। তাকে হাসপাতালে চিকিৎসকের অধীনে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে হাসপাতালে গত বৃহস্পতিবার পিসিআর ল্যাব উদ্বোধন করা হলেও ওই নারীর করোনার পরীক্ষা করা হয়নি। শনিবার রাতে ওই নারী হাসপাতালে মৃত্যু হলে তার নমুনা পরীক্ষা নেওয়া হয়। নমুনা পরীক্ষায় করোনা নেগেটিভ আসে।
এ বিষয়ে হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্বাবধায়ক সামসুদ্দোহা সঞ্চয় জানান, ওই নারী রোগীকে ভর্তির সময় নমুনা পরীক্ষা করা হলেও তার রিপোর্ট আসেনি। ভর্তি পর থেকে ওই রোগীর স্বজনরা তার চিকিৎসা-সেবায় অসহযোগিতা করেছে। রোগীর কয়েকটি টেস্ট দেওয়া হয়। কিন্তু তারা তা করাননি। হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় হাসাতালের নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীরাই তাকে ওষুধ সেবন করিয়েছেন।
তিনি বলেন, হাসপাতালে আইসিইউ সুবিধা নেই। রোগীর অবস্থা অবনতি হলে তাকে তিনবার ঢাকায় রেফার্ড করার জন্য বলা হয়। কিন্তু রোগীর স্বজনরা সহযোগিতা না করায় তাকে ঢাকায় পাঠানো সম্ভব হয়নি।
তিনি আরও বলেন, মৃত্যুর পর ওই নারীর নমুনা পরীক্ষায় করোনা নেগেটিভ এসেছে। তিনি বলেন, রোগর তথ্য ফরমে যে স্বামী পরিচয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন তার পরিচয় আমরা নিশ্চিত নই। তার পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য পুলিশকে বলা হয়েছে।
হাসপাতালে চিকিৎসকদের গাফিলতি বা দায়িত্ব অবহেলা ছিল কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, রোগী মারা যাওয়ার পর রোগীর স্বজনরা মরদেহটিও নিতে আসেননি। যা সেবা করেছে স্বাস্থকর্মীরাই করেছে। পরে স্থানীয় কাউন্সিলরের সহযোগিতায় সিটি করপোরেশন তার মরদেহ দাফন করেছেন।
প্রসঙ্গত, শনিবার রাতে করে ৩০০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই নারীর মৃত্যু হয়। স্বজনেরা মৃতদেহ নিতে না আসায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্থানীয় সিটি কাউন্সিলরের মাধ্যমে মৃতদেহ হস্তান্তর করেন। পরে সিটি করপোরেশন শহরের মাসদাইর কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করেন।
নারায়ণগঞ্জে স্বজনদের ফেলে যাওয়া সেই মৃত নারীর করোনা ছিল না
নারায়ণগঞ্জ শহরের খানপুরে করোনার চিকিৎসায় নির্ধারিত ৩০০ শয্যা হাসপাতালে আটদিন চিকিৎসা নেয়ার পর মারা যান এক নারী। করোনা আক্রান্ত সন্দেহে ওই নারীকে ফেলে পালিয়ে যান তার স্বজনরা। গত্যান্তর না দেখে সিটি করপোরেশনের লোকজন তার দাফন সম্পন্ন করে। তবে সেই নারীর নমুনা পরীক্ষায় করোনা নেগেটিভ এসেছে। ওই নারীর মৃত্যুর পর হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্তরা জানিয়েছিলেন, করোনা আক্রান্ত নারী চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক সামসুদ্দোহা সঞ্চয় বলেন, ওই নারীর নমুনা পরীক্ষায় করোনা নেগেটিভ এসেছে।










