স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের নির্বাচনী এলাকায় তার দুই ছেলের নামে নতুন দুটি ইউনিয়নের নামকরণের বিষয়টি এরই মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। আজ সোমবার জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সংসদে। এর জবাবে সংসদে ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। খবর বিবিসি বাংলা।
সংসদে শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর এলাকার দুটি উপজেলায় কয়েকটি ইউনিয়ন হয়েছে। সেখানে ওনার পরিবার বা মীর বংশের নামে একটা ইউনিয়নের নাম করা হয়েছে। ওনার দুই সন্তানের নামে দিগন্ত ও সীমান্ত দুই সন্তানের নামে দুইটা ইউনিয়নের নাম করা হয়েছে।
পরে সংসদে ২৭৪ বিধিতে ব্যক্তিগত কৈফিয়ত দেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তিনি বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকা মোকামতলার দূরবর্তী দুইটি ইউনিয়ন সৈয়দপুর ও দেউলী ইউনিয়ন। এই দুইটি ইউনিয়ন অনেক বড় ছিল। স্থানীয় প্রশাসন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং জেলা প্রশাসক যাচাই বাছাই করে গণশুনানি করে সৈয়দপুর ইউনিয়নটি যেহেতু গাবতলী ও সোনাতলা সীমান্তে, সেই কারণে সৈয়দপুরের সঙ্গে নাম মিল করে সীমান্তবর্তী হওয়ায় নতুন ইউনিয়নের নাম করেছে সীমান্ত ইউনিয়ন।
তিনি আরো বলেন, আরেকটি ইউনিয়নের নাম ছিল দেউলী ইউনিয়ন। যেটি গাইবান্ধার একদম কাছে, অনেক দূরে হওয়ায় যে কারণে স্থানীয় প্রশাসন এবং জনগণের শুনানিতে সেই ইউনিয়নের নাম রাখা হয়েছে দিগন্ত ইউনিয়ন। এ সময় তিনি দেশের বিভিন্ন জায়গায় সীমান্ত ও দিগন্ত নামে যে সব স্থান রয়েছে, সেগুলোরও উদাহরণ টানেন সংসদে।
পরে জামায়াতের এমপির উদ্দেশ্যে মীর শাহে আলম বলেন, এরকম সীমান্ত ও দিগন্ত নামকরণ বহু নাম বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে। উনি কেন এর সঙ্গে আমার সন্তানদের নাম জড়ালেন। তিনি আরো বলেন, মিরাক্যালি আমার সন্তানদের নামের সঙ্গে মিলে গেছে ঠিকই। আমার সন্তানের নাম হচ্ছে মীর সীমান্ত ও মীর দিগন্ত। আমার যদি ইনটেনশন থাকতো সন্তানের নামে ইউনিয়নের নামকরণ করার, তাহলে তো আমি প্রশাসনকে বলতাম মীর সীমান্ত ও মীর দিগন্ত রাখার। কিন্তু ইউনিয়নের নামের আগে তো মীর নাই।










