গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার যমুনা নদীর
মুন্সিরহাট পয়েন্টে ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়েছে। গত কয়েক দিনে হাটের পাঁচটি দোকান ও আশপাশের
২৫টি বাড়ি-ঘর নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। বিস্তৃত ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ।
আজ রোববার (১৩ আগস্ট) সকালে সরেজমিনে
গিয়ে দেখা যায়, ভাঙন ও ভেসে যাওয়ার হুমকিতে রয়েছে উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি প্রাথমিক
বিদ্যালয়, মসজিদ, মাদ্রাসা, মুন্সিরহাট বন্যা নিয়ন্ত্রণবাঁধসহ শতশত বাড়ি-ঘর, গাছপালা
ও আবাদি জমি।
গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে
বালুভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করছে। তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ
কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারণে ভাঙন রোধ হচ্ছে না।
আতঙ্কিত লোকজন দোকানপাট ও বাড়ি-ঘরের
হস্তান্তরযোগ্য অংশ সরিয়ে নিচ্ছেন।
মুন্সিরহাটের ব্যবসায়ী জুয়েল রানা
অভিযোগ করে বলেন, মুন্সিরহাট পয়েন্টে প্রতিবছর একাধিকবার ভাঙন দেখা যায়। ভাঙন শুরু
হলে পানি উন্নয়ন বোর্ড ধীরগতিতে বালুর বস্তা ডাম্পিং করে ঠেকানোর চেষ্টা করে। কিন্তু
তা কোনো কাজেই আসছে না।
এদিকে বাড়ি-ঘর হারানো পরিবারগুলো স্থানীয়
বিদ্যালয় মাঠে আশ্রয় নিয়েছে। তারাও ভাঙনের পেছনে তদারকির অভাবকে দায়ী করেন।
তবে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হাফিজুল হক জানান, কাজে কোনো গাফিলতি করেননি তারা। এ কর্মকর্তা বণিক বার্তাকে বলেন, মুন্সিরহাট ভাঙন প্রতিরোধের জন্য আমাদের কোনো গাফিলতি নেই। ওই পয়েন্টের ভাঙন রোধে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।









