যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তদের সেলে অবস্থান করছেন খুলনার দৌলতপুরের বাসিন্দা পুর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতা শাহাদৎ হোসেন লিটন ওরফে খোড়া লিটন (৪৫)। তিনি ফোন করে হত্যার হুমকি দিয়েছেন বলে খুলনার ব্যবসায়ী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
জানা গেছে, খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর পাবলা কবির বটতলার ব্যবসায়ী মো. নাছিম আহম্মেদ দৌলতপুর থানায় জিডি করেছেন। জিডিতে বলেছেন, খোড়া লিটন ও তার অনুসারীরা তাকে বোমা মেরে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার সুব্রত কুমার বালা বলেন, কারাগারে প্রায় ১ হাজার ৬০০ বন্দি রয়েছে। আর ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ফাঁসির সেলেই রাখা হয়। বন্দিদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার জন্য করাগার থেকে সেলফোন দেয়া হয়। তবে কথা বলার সময় কারারক্ষীরাও উপস্থিত থাকেন। সুতরাং ওই সময় কাউকে হুমকি দেয়ার সুযোগ নেই। তবে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। আর ওই বন্দিই ফোন করেছে নাকি তার নাম ব্যবহার করে অন্য কেউ এ কাজ করেছে তাও দেখা দরকার। একই কথা বলেছেন যশোর কারাগারের জেলার তুহিন কান্তি খান।
দৌলতপুর থানায় গত ১৬ মে করা জিডিতে ব্যবসায়ী নাছিম আহম্মেদ উল্লেখ করেছেন, পাবলা কেশবলাল রোডের আব্দুল হাকিমের ছেলে মারুফ হোসেন (৪০) ও খালিশপুর নয়াবাটির শেখ জালালের ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন (৫৫) সহ তিনজনের কাছে তার ব্যবসায়িক টাকা পাওনা রয়েছে। গত ১৫ মে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শাহাদাত হোসেন লিটন ওরফে খোরা লিটন পরিচয়ে তাকে কল করা হয়। ফোনে মারুফসহ তাদের তিন জনের কাছে টাকা চাইলে বা এ নিয়ে ঝামেলা করলে বোমা মেরে উড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়।
তবে মারুফ হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তার বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী নাছিম মিথ্যা অভিযোগ এনে থানায় জিডি করেছেন।
খুলনা মহানগরীর পাবলা কেশবলাল রোড এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খোড়া লিটন একজন সন্ত্রসী। এলাকায় ফোন করে চাঁদা দাবি করেন।
জিডির বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) সৈয়দ মোশারেফ হোসেন বলেন, ব্যবসায়ী নাছিম একটি জিডি করেছেন। যা আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতের বিচারক তদন্তের অনুমতি দিলে আমরা এগোতে পারব।










