যশোর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাচনে গতকাল ১৪ জন তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। এর মধ্যে সাধারণ সদস্য থেকে ১২ জন ও সহযোগী পদ থেকে দুজন রয়েছেন। মোট ২১টি পদের বিপরীতে দুটি প্যানেলে ৫৩ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে সাধারণ সদস্য পদে ৩৬ জন, সহযোগীতে ১৫ ও গ্রুপ সদস্য পদে জমা দিয়েছিলেন দুজন। এখন ৩৯ জন প্রার্থী ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। নির্বাচনে সম্মিলিত ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন যশোর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান খান ও যশোর ব্যবসায়ী ঐক্য ফোরামের নেতৃত্বে রয়েছেন সংস্থাটির সাবেক নির্বাহী সদস্য হুমায়ন কবীর কবু।
এদিকে যশোর ব্যবসায়ী ঐক্য ফোরামের প্যানেল নেতা মিজানুর রহমান খানকে আটক করায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা। প্যানেলটির সদস্য আবদুল হামিদ চাকলাদার ইদুল বলেন, ‘চেম্বারের
নির্বাচন মূলত ব্যবসায়ীদের নিয়ে। এখানে কোনো রাজনৈতিক পক্ষ থাকা ঠিক না। নির্বাচন সামনে রেখে একটি পক্ষ আমাদের প্যানেল লিডার মিজানুর রহমান খানকে পুলিশ দিয়ে মিথ্যা মামলায় আটক করিয়েছে। আমরা মনে করি, এটা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বাধা। কেননা গত আট বছর চেম্বারে ভোট কেন হয়নি তা ব্যবসায়ীরা জানেন।’ একই প্যানেলের ব্যবসায়ী নেতা শেখ আতিকুর রহমান বাবু বলেন, ‘মিজানুর
রহমান খান হলেন ব্যবসায়ীদের কাছে সুপরিচিত মুখ। তাকে পুলিশ দিয়ে আটক করে নির্বাচন থেকে দূরে সরানো যাবে না। আমরা মনে করি, ভোটাররা আমাদের সঙ্গে থেকে এ অন্যায় কাজের উপযুক্ত জবাব দেবেন। আমাদের পরিষদ নির্বাচিত হলে সাধারণ ব্যবসায়ীসহ সব ব্যবসায়ীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সর্বদা নিজেদের নিয়োজিত রেখে নিরপেক্ষভাবে কাজ করব। এজন্য ভোটারদের তাদের প্যানেলে ভোট দেয়ার অনুরোধ করেছেন তিনি।’
যশোর ব্যবসায়ী ঐক্য ফোরামের লিডার হুমায়ন কবীর কবু বলেন, ব্যবসায়ীদের পক্ষে কাজ করার জন্য তারা ভোটযুদ্ধে নেমেছেন।
নির্বাচন বোর্ড কমিটির আহ্বায়ক ও যশোরের সিনিয়র সহকারী কমিশনার কেএম আবু নওশাদ জানান, আগামী ৭ জানুয়ারি যশোর কালেক্টরেট স্কুল প্রাঙ্গণে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
গতকাল ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। এদিন মোট ১৪ জন প্রত্যাহার করেছেন। ভোট কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে যশোর কালেক্টরেট স্কুল। তফসিল অনুযায়ী সাধারণ সদস্য পদে ১২ জন, সহযোগী সদস্য পদে ছয়জন এবং গ্রুপ সদস্য (টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপে) তিনজন নির্বাচিত হবেন।










