খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে ৩০ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে বিভাগে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা হাজার ছাড়াল। নতুন শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৪৬৪ জন। শনাক্তের সংখ্যা ৫৩ হাজার ছাড়িয়েছে।
রোববার ২৮ জনের মৃত্যু হয়। আর শনাক্ত হয় ১ হাজার ২০২ জনের। ২৪ ঘণ্টায় আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা, করোনা শনাক্ত আর শনাক্তের হার তিনটিই বেড়েছে। গতকাল দুপুরে খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক রাশেদা সুলতানা এ তথ্য জানিয়েছেন।
রাশেদা সুলতানা বলেন, বিভাগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট মারা গেছেন ১ হাজার ১১ জন। বিভাগে মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৮৯ শতাংশ। আর মোট শনাক্তের সংখ্যা ৫৩ হাজার ৬৩১। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩৬৩ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হলেন ৩৬ হাজার ৯৭৮ জন।
তিনি আরো বলেন, ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি কুষ্টিয়ায় মারা গেছেন নয়জন। এছাড়া খুলনায় ছয়জন, ঝিনাইদহ ও মেহেরপুরে চারজন করে মারা গেছেন। বাগেরহাট ও চুয়াডাঙ্গায় দুজন করে এবং সাতক্ষীরা, যশোর ও নড়াইলে একজন করে মারা গেছেন।
বিভাগে করোনায় মোট মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে খুলনা জেলায় ২৪৬ জন, কুষ্টিয়ায় ১৯৮, যশোরে ১৩৪, চুয়াডাঙ্গায় ৮৬, ঝিনাইদহে ৮৭, বাগেরহাটে ৮১, সাতক্ষীরায় ৬৭, মেহেরপুরে ৪৬, নড়াইলে ৪১ ও মাগুরায় ২৫ জন আছেন।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক বলেন, ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের ১০ জেলায় মোট ৩ হাজার ১৬৩ জনের নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ৪৬ দশমিক ২৯ শতাংশ। আগের দিনের চেয়ে ২৬০টি নমুনা বেশি পরীক্ষা হয়েছে। আর আগের দিন শনাক্তের হার ছিল ৪১ দশমিক ৪১ শতাংশ।
শনাক্ত বিবেচনায় জেলাগুলোর মধ্যে শীর্ষে খুলনা। খুলনায় এখন পর্যন্ত শনাক্ত ১৪ হাজার ৯৪৩ জন। এছাড়া বাগেরহাটে ৩ হাজার ১৮৩, চুয়াডাঙ্গায় ৩ হাজার ১১৬, যশোরে ১১ হাজার ৭৭৯, ঝিনাইদহে ৪ হাজার ১৩৭, কুষ্টিয়ায় ৭ হাজার ৩৫৬, মাগুরায় ১ হাজার ৫০৯, মেহেরপুরে ১ হাজার ৬৭৬, নড়াইলে ২ হাজার ৫৮১ ও সাতক্ষীরায় ৩ হাজার ৩০০ জন শনাক্ত হয়েছেন।
স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চলতি মাসের প্রথম ২৮ দিনে ১৯ হাজার ৩৪০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে মারা গেছেন ৩৬৬ জন। এর আগের ২৮ দিনে (৪-৩১ মে) শনাক্ত হয়েছিল ২ হাজার ৮৬০ জনের। ওই সময়ে মারা যান ৬৪ জন। এখন পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগী ৩৬ শতাংশের বেশি এবং সমপরিমাণ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে চলতি মাসে।









