যশোরের মহাসড়কগুলোয় এবারের ঈদযাত্রা ভালো হবে যাত্রীদের। কেননা সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ যশোরের অধীন ১৭০ কিলোমিটার মহাসড়কের অবস্থা ভালো। বেশির ভাগ মহাসড়ক নতুনভাবে নির্মিত। যে কারণে ঈদে যাত্রীদের ভোগান্তি থাকবে না বলে নিশ্চিত করেছেন সওজ কর্মকর্তারা।
সওজ যশোর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালে যশোর-খুলনা ও যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক উন্নয়ন কাজ শেষ হয়েছে। যশোর-খুলনা মহাসড়কের ৩৮ কিলোমিটার উন্নয়নে ৩২১ কোটি টাকা ও যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের ৩৮ কিলোমিটার উন্নয়নে ৩২৮ কোটি টাকা প্রাথমিকভাবে বরাদ্দ করা হয়। খুলনা মহাসড়কটি যশোর শহরতলির পালবাড়ী মোড় থেকে শুরু হয়ে অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়ার রাজঘাট পর্যন্ত নতুন করে নির্মিত হচ্ছে। আর বেনাপোল মহাসড়কটি শহরের দড়াটানা মোড়ের মুজিব সড়ক থেকে শুরু হয়ে বেনাপোল চেকপোস্ট নোম্যান্সল্যান্ড পর্যন্ত যাবে।
এছাড়া যশোর-ঝিনাইদহ মহাসড়কের ১৫ কিলোমিটার, যশোর-মাগুরা মহাসড়ক ২০ কিলোমিটার, যশোর-নড়াইল মহাসড়কের ২০ কিলোমিটার, নাভারণ থেকে সাতক্ষীরা পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার, যশোর-চৌগাছা সড়ক ২২ কিলোমিটার সম্পূর্ণ ভালো অবস্থায় রয়েছে। শুধু কেশবপুর থেকে বেতগ্রাম ২৩ কিলোমিটার ও শহরের মণিহার থেকে মুড়লি পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার সড়কের কাজ চলমান রয়েছে। এসব সড়কেও ঈদের আগে যান চলাচলের উপযোগী হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
যশোর বেনাপোল সড়কে প্রতিদিন ব্যবসায়িক কাজে যাতায়াত করেন সিএন্ডএফ এজেন্ট জাতাল হোসেন। তিনি জানান, সড়কটি বর্তমানে যানবাহন চলাচলের সম্পূর্ণ উপযোগী। কোনো সমস্যা নেই। গাড়িতে চললে আরামে যাতায়াত করা যাচ্ছে। অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া থেকে যশোর শহরে প্রতিনিয়িত বাসে যাতায়াত করেন মাসুদ আলম। তিনি বলেন, যশোর খুলনা মহাসড়কে বর্তমানে যাত্রীদের কষ্ট নেই। সড়কটি নতুনভাবে নির্মিত হওয়ায় সেখানে কোনো
অংশ ভাঙা নেই। তবে মণিহার থেকে মুড়লি পর্যন্ত যাতায়াত করলে বাড়িতে গিয়ে ধুলার কারণে গোসল করতে হয়।
এ ব্যাপারে যশোর সওজ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ বলেন, যশোরের সব মহাসড়কই এখন নতুন। এক বছর আগে নতুনভাবে কাজ করা হয়েছে। যে কারণে এবারের ঈদে এসব মহাসড়কে যাত্রীরা স্বাচ্ছন্দে গাড়িতে চলাচল করতে পারবেন। শহরের মণিহার থেকে মুড়লি সড়কের কাজ শুরু করা হয়েছে। ঈদে আগে যেন যান চলাচল করতে পারে এবং সড়কের পাশের দোকানিরা যেন ধূলার হাত থেকে রেহাই পান সেজন্য ঠিকাদারকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।










