ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে সারা দেশে চার শতাধিক থানায় মামলা ও অস্ত্র লুটের ঘটনা ঘটে। সেসব অস্ত্র উদ্ধারে দেশজুড়ে পরিচালিত যৌথ অভিযানে গত তিনদিনে ৫৩টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি এ সময় গ্রেফতার করা হয়েছে ২৫ জনকে। গতকাল পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সদর দপ্তর জানায়, বিগত সরকারের আমলে যেসব অস্ত্রের লাইসেন্স দেয়া হয়েছিল, সেসব অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল এবং লুট হওয়া অস্ত্র ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জমা দেয়ার নির্দেশ দেয় সরকার। এরপর ৪ সেপ্টেম্বর থেকে অস্ত্র উদ্ধারে  শুরু হয় পুলিশ-সেনাবাহিনী, বিজিবিসহ যৌথ বাহিনীর অভিযান। চলমান এ অভিযানে গত তিনদিনে ঢাকাসহ সারা দেশে ৫৩টি অস্ত্র উদ্ধার হয়। অবৈধ অস্ত্র হেফাজতে রাখার অভিযোগে এ সময়ের মধ্যে ২৫ জনেক গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে রিভলবার দুটি, পিস্তল ১৮টি, রাইফেল দুটি, শটগান ১১টি, পাইপগান একটি, শুটারগান ছয়টি, এলজি তিনটি, বন্দুক তিনটি, একে ৪৭ একটি, গ্যাসগান একটি, চায়নিজ রাইফেল একটি, এয়ারগান একটি ও এসবিবিএল তিনটি। এ অভিযান চলমান থাকবে বলেও জানায় পুলিশ সদর দপ্তর।

এদিকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে যৌথ অভিযান শুরুর আগের দিন অর্থাৎ গত ৩ সেপ্টেম্বর পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো খুদে বার্তায় জানানো হয়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ঘিরে দেশের বিভিন্ন থানা থেকে লুট হওয়া পুলিশের ২ হাজার ৬৬টি অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। এছাড়া ৩ লাখ ২০ হাজার ৬৬০টি গুলি, ৮ হাজার ৯০৫টি কাঁদানে গ্যাসের শেল, ২ হাজার ৫৭৬টি সাউন্ড গ্রেনেড, ৭৫১টি টিয়ার গ্যাস গ্রেনেড উদ্ধার হয়নি বলেও জানানো হয়।