কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ ও ভাসানচরসহ ৩৫টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে করোনাভাইরাস প্রতিরোধক টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয়।
টিকা প্রদান সংশ্লিষ্টরা জানান, আজ থেকে শুরু করে প্রতিদিন কমপক্ষে ৭ হাজার রোহিঙ্গাকে টিকা দেওয়া হবে। ৫৬টি কেন্দ্রে আগামী ১৮ আগস্ট পর্যন্ত প্রথম দফায় রোহিঙ্গাদের করোনার টিকা কার্যক্রম চলবে।
প্রতিটি কেন্দ্রে ৩ শতাধিক রোহিঙ্গাকে করোনা ভ্যাকসিন দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট ক্যাম্প প্রশাসন। পাশাপাশি একই সময়ে ক্যাম্পের হেড মাঝি, ব্লক মাঝি, মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ ভ্যাকসিন দেয়ার কাজে নিয়োজিত ১৮ হাজার স্বেচ্ছাসেবকদেরও টিকার আওতায় আনা হচ্ছে।
কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) কার্যালয় সূত্রে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এই কর্মসূচির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৪ এক্সটেনশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে রোহিঙ্গাদের মাঝে করোনার ভ্যাকসিন প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার শাহ রেজওয়ান হায়াত।
ইউএইচসিআর সূত্রে জানা গেছে, একজন ব্যক্তিকে দুই ডোজ কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন দেয়া হবে। যেখানে দুটি ডোজের মধ্যে ৪ সপ্তাহের ব্যবধান থাকবে।
কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) কার্যালয়ের অতিরিক্ত কমিশনার সামশু দৌজা নয়ন জানান, আজ থেকে উখিয়া-টেকনাফ ও ভাসানচরসহ ৩৫টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৫৬ টি কেন্দ্রে প্রথম দফায় ১৮ হাজার স্বেচ্ছাসেবকসহ ৬৬ হাজার জনকে ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
কক্সবাজারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার অফিসের প্রধান স্বাস্থ্য সমম্বয়ক ডা. আবু ত্বোহা বলেন, ‘ভ্যাকসিন কার্যক্রমে স্বাস্থ্য বিভাগের সাথে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১৮৬টি টিম কাজ করছে। প্রাথমিকভাবে ৫৬টি কেন্দ্রের মাধ্যমে আজ থেকে রোহিঙ্গাদের করোনা টিকা প্রদান শুরু হয়েছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ৫৫ বছরের ঊর্ধ্বে বয়স্ক রোহিঙ্গাদের শুরুতে এ টিকার আওতায় আনা হচ্ছে।’
এ সময় কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান, বিভিন্ন ক্যাম্পের ইনচার্জ ও সেবা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।









