গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী ইউনিক রোড রয়েলস নামক চলন্ত বাসে ধর্ষণের ঘটনাটি সঠিক নয় বলে দাবি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এমন দাবি করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো দাবি করা হয়, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমানের কাছ থেকে পাওয়া ভিডিও ক্লিপে বাসটির এক নারী যাত্রীর বক্তব্য বিশ্লেষণ করে তথ্যটি জানা গেছে । এতে দেখা যায়, ওই নারী যাত্রী বলছেন, ‘বাসটিতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে, তবে ধর্ষণের কোনো ঘটনা ঘটেনি।’
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ইউনিক রোড রয়েলস পরিবহনের একটি বাস ঢাকার গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে রাজশাহীর নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম যাওয়ার উদ্দেশে রওনা হয়।
রাত দেড়টার দিকে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানাধীন হাইটেক সিটি পার্ক সংলগ্ন খাড়াজোড়া ফ্লাইওভার ব্রিজ অতিক্রম করার ৫ থেকে ৬ মিনিট পর হঠাৎ ৮ থেকে ৯ জন যাত্রীবেশী ডাকাত এক সঙ্গে দাঁড়িয়ে যায় এবং ধারালো চাকু ও চাপাতি দেখিয়ে যাত্রীদের জিম্মি করে ফেলে।
এ সময় তাদের মধ্যে তিনজন অজ্ঞাতনামা ডাকাত বাসচালকের গলায় ধারালো চাকু ধরে টানাহেঁচড়া ও কিলঘুষি মেরে তাকে চালকের আসন থেকে উঠিয়ে দেয়। ডাকাতদের মধ্য থেকে একজন চালকের আসনে বসে বাসটির নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং বাসটি চালিয়ে টাঙ্গাইলের দিকে রওনা হয়। পরে মির্জাপুর উপজেলার সোহাগপাড়া সাকিনস্থ ফুটওভার ব্রিজের কাছে পৌঁছালে ডাকাতদলের সদস্যরা লুণ্ঠন শুরু করে।
তারা যাত্রীদের কাছে থাকা টাকা, মোবাইল ফোন, স্বর্ণালংকার ও রূপাসহ সকল মালামাল ছিনিয়ে নেয়। পরে তারা গাড়িটি দেলদুয়ার উপজেলার নাটিয়াপাড়ায় নিয়ে গিয়ে ইউটার্ন নিয়ে ঢাকার দিকে যাত্রা শুরু করে।
ওই সময় বাসের এক নারী যাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। যদিও পরে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, বাসে ধর্ষণ নয়, ‘শ্লীলতাহানির’ ঘটনা ঘটেছে।










