আমদানি-রফতানির ক্ষেত্রে শুল্কায়নের ক্ষেত্রে সাতটি সংস্থা কর্তৃক ইস্যুকৃত সার্টিফিকেট, লাইসেন্স ও পারমিট বিএসডব্লিউ সিস্টেমের মাধ্যমে দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো প্রকল্প পরিচালক জুয়েল আহমেদ জানান, ৩১ জানুয়ারির পর থেকে আমদানি ও রফতানি পণ্য চালান শুল্কায়নের ক্ষেত্রে এ সাতটি সংস্থা কর্তৃক ইস্যুকৃত সার্টিফিকেট, লাইসেন্স ও পারমিট বিএসডব্লিউ সিস্টেমের মাধ্যমে দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ওই তারিখের পর কোনো ধরনের ম্যানুয়াল সার্টিফিকেট, লাইসেন্স ও পারমিট গ্রহণ করা হবে না।

ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সিঙ্গেল উইন্ডো সিস্টেম (বিএসডব্লিউ) মূলত একটি অনলাইন প্লাটফর্ম, যা ব্যবহার করে একজন আমদানিকারক ও রফতানিকারক পণ্য খালাসের জন্য প্রযোজ্য সব ধরনের সার্টিফিকেট, লাইসেন্স ও পারমিটের (সিএলপি) জন্য অনলাইনে আবেদন করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিএলপি সংগ্রহ করতে পারবেন। সিএলপি গ্রহণের আগে বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (বিআইএন) ব্যবহার করে বিএসডব্লিউ সিস্টেমে নিবন্ধন করতে হবে। এ সিস্টেম ব্যবহারের ফলে আমদানি-রফতানি কার্যক্রমে যেসব সুবিধা পাওয়া যাবে সেগুলো হলো- একটি কমন প্লাটফর্মে আমদানি-রফতানি পণ্যের জন্য প্রযোজ্য সার্টিফিকেট, লাইসেন্স এবং পারমিট সংক্রান্ত সব কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা কর্তৃক যুগপৎভাবে অনলাইনে সম্পন্ন করা হবে। সরকারি কাজে ব্যক্তিগত যোগাযোগ (হিউম্যান ইন্টারেকশন) না থাকায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। পণ্য আমদানি-রফতানির ক্ষেত্রে সময় ও ব্যয় হ্রাস পাবে। দেশী-বিদেশী ব্যবসায়ীদের মধ্যে আস্থা সৃষ্টির মাধ্যমে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে।

ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো প্রকল্প জানিয়েছে, প্রাথমিক পর্যায়ে সার্টিফিকেট, লাইসেন্স ও পারমিট ইস্যুকারী ১৯টি সংস্থার মধ্যে সাতটি সংস্থার ক্ষেত্রে গত ২ জানুয়ারি থেকে সিএলপি আবেদন দাখিল ও ইস্যু করার কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। সেগুলো হলো- ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, বিস্ফোরক পরিদপ্তর; রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো; বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন; বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল; বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ এবং পরিবেশ অধিদপ্তর।