তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেছেন, আলাপ আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যার সমাধান করতে চাই। আমরা ধৈর্য ধরেছি। আমরা আলোচনার পথ খোলা রেখেছি। তবে সন্ত্রাসীরা সন্ত্রাস করলে আইনের প্রয়োগও ঘটাতে হবে।
আজ রোববার (৪ আগস্ট) গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শক্ত অবস্থান নিলে কোনো সংঘাত ঘটলেও বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ আসছে। তাই আমরা একেবারেই শান্তিপূর্ণ অবস্থানে ছিলাম। এটিকে দুর্বলতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। আপনারা দেখেছেন, তারা আজ সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে কী করেছে। তারা দুপচাচিয়া এসিল্যান্ড অফিসে ভাঙচুর করেছে। গাইবান্ধা ডিসি অফিসে, নারায়ণগঞ্জ ডিসি অফিসে তারা আক্রমণ করেছিল।
মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, আমরা শান্তির পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলাম, সংলাপের
পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলাম। সেটিকেও দুর্বলতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। সহিংসতার কারণে যে
হতাহতের ঘটনা ঘটেছিল সেসবের বিচারের পক্ষে ছিলাম।
তিনি বলেন, অনেক শিশু ও নারীর
লাশের সুবিধা নিয়েছে, মানুষকে উস্কে দিয়েছে একটি পক্ষ। তারা এর মাধ্যমে নিজেদের
উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে চেয়েছে। আমরা সবাই বিচার চাই। কিন্তু আপনারা রায় দিয়ে
দিচ্ছেন। তার মানে আপনারা বিচার চাচ্ছেন না। বিচারের জন্য একটি জুডিশিয়াল কমিশন
করা হয়েছে। তারা আরো আগেই কাজ শুরু করেছে। সেই কাজে বিদেশি বিশেষজ্ঞরাও আছে। আমরা
আসল অন্যায়কারীকে ধরতে চাই।
তিনি আরো বলেন, যারা বলছে
সরকার দায়ী, সরকার খুনি তারা তো বিচার চাচ্ছে না। এটা পরিষ্কার তারা কী চাচ্ছে।
সেই ঘোষণা তারা কাল দিয়েছে। কোটা, অধিকার এসবে তারা এখন আর নাই। ঘোষণা দেয়ার পর তা
অর্জন করতে চাচ্ছে সন্ত্রাস ও সহিংসতার পথে।










