গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, ‘পৃথিবীর খুব কম দেশেই ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট হয়। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ইভিএম পদ্ধতি জনগণের বিশ্বাস ও আস্থার জায়গায় পৌঁছতে পারেনি। সাধারণ মানুষের ধারণা, তারা যে প্রতীকে ভোট দিন না কেন তা নির্দিষ্ট একটি প্রতীকে গণনা হয়’—গতকাল যশোর সদরের লেবুতলা ইউনিয়নের লেবুতলা গ্রামে ‘গণস্বাস্থ্য লেবুতলা হাসপাতাল’-এর জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. জাফরুল্লাহ আরো বলেন, স্বাস্থ্য নিয়ে ব্যবসা করি না বলেই আমরা কম পয়সায় স্বাস্থ্যসেবা দিতে পারছি। বাংলাদেশে স্বাস্থ্য নিয়ে ব্যবসা করা যাবে না, যেমন ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করা যায় না।

পরে তিনি বাঘারপাড়া উপজেলার কয়েলখালী গ্রামে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের আরেকটি হাসপাতালের নতুন জায়গা পরিদর্শনে যান। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনাকালে উপস্থিত ছিলেন নারীপক্ষের সদস্য শিরিন হক, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রধান নির্বাহী ডা. মনজুর কাদের, লেবুতলা গ্রামের জমিদাতা মৃত শুভাংশু শেখর খাঁর স্ত্রী কল্পনা রানী খাঁ এবং মৃত অরুণ কুমার খাঁর স্ত্রী অরুণা রানী খাঁ, ওই গ্রামের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসহাক, রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

শুভাংশু শেখর খাঁ ও তার ভাই অরুণ খাঁর পক্ষে তাদের স্ত্রীরা টিনশেড ঘরসহ ৫৫ শতক জমি হাসপাতালের অনুকূলে রেজিস্ট্রি করে দিয়েছেন।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পক্ষে ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী জমি গ্রহণ করেন।