এছাড়া ঢাকার বছিলা লঞ্চঘাট থেকে হাকিমুদ্দিন, চাঁদপুর, মুলাদি, গলাচিপা, বরিশাল ও ইলিশা রুটে লঞ্চ চলাচল শুরু হবে। গতকাল নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে একাধিক বিশেষ নৌরুটে লঞ্চ চলাচল করবে। একই সঙ্গে ঈদকে কেন্দ্র করে যাত্রীবাহী নৌযানে মালামাল পরিবহন ও বাল্কহেড চলাচলে সাময়িক নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করা হয়েছে।

ঈদযাত্রা নিরাপদ রাখতে সদরঘাট থেকে ঈদের আগের পাঁচদিন সব যাত্রীবাহী নৌযানে মালামাল পরিবহন সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে ঈদের পরবর্তী পাঁচদিন দেশের অন্যান্য নদীবন্দর থেকে সদরঘাটগামী যাত্রীবাহী নৌযানেও মালামাল বহন নিষিদ্ধ থাকবে। এছাড়া শনিবার থেকে আগামী ২ জুন পর্যন্ত দিন-রাত সার্বক্ষণিক সব ধরনের বাল্কহেড চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়।

অন্যদিকে ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় ও দ্রুত পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাক ছাড়া সাধারণ ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান ফেরিতে পারাপার বন্ধ থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে নৌকা বা ট্রলার থেকে লঞ্চে ওঠানামা না করার অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে দুর্ঘটনা এড়াতে বাস থেকে নেমে পায়ে হেঁটে ফেরিতে ওঠার আহ্বান জানানো হয়।

জরুরি প্রয়োজনে ও সেবা সংক্রান্ত বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএর হটলাইন ১৬১১৩ ছাড়াও জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯, সরকারি তথ্য ও সেবা ৩৩৩, ফায়ার সার্ভিস ১০২, কোস্টগার্ড ১৬১১১ এবং নৌপুলিশের ০১৭৬৯-৭০২২১৫ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।