জুলাই অভ্যুত্থানে দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান। তিনি বলেন, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বিভেদ করা যাবে না। আমরা যখন প্রতিষ্ঠান থেকে বের হয়ে জনপরিসরে আসি, তখন আমাদের পরিচয় হবে একজন নাগরিক হিসেবে।
আজ সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৪টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। সেমিনারটির মূল প্রতিপাদ্য ছিল— রাষ্ট্র সংস্কারে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ভাবনা ও প্রত্যাশা।
ড. নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, সংস্কার নিয়ে অনেক প্রত্যাশা রয়েছে। সংস্কার কমিশন অক্লান্ত পরিশ্রম করছে। দেশে নানা সমস্যা থাকলেও আমরা সুন্দর সময়ের প্রত্যাশায় রয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি, সুড়ঙ্গের শেষে আলো রয়েছে।
গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে ঢাবি উপাচার্য বলেন, এ ধরনের গবেষণা উপস্থাপনার আয়োজন টিকিয়ে রাখা প্রয়োজন। গবেষণার ভাষা সহজ করে শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দেয়ার উদ্যোগ নেয়া উচিত।
সেমিনারে আরো উপস্থিত ছিলেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সামিনা লুৎফা নিত্রা, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার ও জাতীয় নাগরিক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক সারওয়ার তুষার।










