গতকাল বিজিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সম্মেলনে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল অংশ নেবে।

প্রতিনিধি দলে বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, ভূমি জরিপ অধিদপ্তর এবং যৌথ নদী কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা থাকবেন। অন্যদিকে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মহাপরিচালকের নেতৃত্বে দেশটির প্রতিনিধি দল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবে। ওই দলে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা থাকবেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত হত্যা, পুশ-ইন (ঠেলে দেয়া) ও মাদক পাচার বন্ধের বিষয় আলোচনায় গুরুত্ব পাবে। বাংলাদেশের তরফ থেকে সম্মেলনে এসব ইস্যু তোলা হবে। এছাড়া আগরতলা থেকে আখাউড়ার দিকে প্রবাহিত সীমান্তবর্তী চারটি খালের বর্জ্য পানি অপসারণে উপযুক্ত পানি শোধনাগার স্থাপন, সীমান্তে নিরস্ত্র বাংলাদেশী নাগরিকদের ওপর গুলি চালানো বন্ধসহ বেশকিছু আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া লালমনিরহাটের দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহল এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের বিষয়টি আলোচনায় আসবে।