সিরাজগঞ্জ সদর খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা (এলএসডি সংরক্ষণ ও চলাচল) এসএম শফিকুল ইসলাম তালুকদারের বিরুদ্ধে ভিজিএফ ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল কম দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

গতকাল বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার ছোনগাছা ইউনিয়নের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ২৬০ বস্তা ও জেলেদের ভিজিএফের ৩৪৬ বস্তাসহ মোট ৬০৬ বস্তা চাল দুই ট্রাকে করে খাদ্যগুদাম থেকে নিয়ে যাওয়া হয়। পর ট্রাকের ৬০৬ বস্তা চাল ওজন করলে প্রায় ৫০০ কেজি চাল কম পাওয়া যায়।

খাদ্যগুদাম থেকে সরবরাহকৃত ৩০ কেজির প্রতি বস্তায় দুই থেকে তিন কেজি করে চাল কম দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্র জানায়, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় ৪৬টি ডিলারের মাধ্যমে ১০ টাকা কেজি হিসাবে ৩০ কেজি করে চাল প্রতি মাসে বিতরণ করা হয়। খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির (১০ টাকা কেজি দরের চালের) ডিলার সদর উপজেলার বাগবাটি ইউনিয়নের সজল আহমেদ, রতনকান্দি ইউনিয়নের সাদি, সোহেল রানা পরি, ছোনগাছা ইউনিয়নের বিপ্লব শেখ, কালিয়া হরিপুর ইউনিয়নের আব্দুল মান্নান ও সয়দাবাদ ইউনিয়নের সবুজ শেখ অভিযোগ করে বলেন, প্রায় তিন মাস ধরে তাদের জন্য বরাদ্দকৃত চালের বস্তা ওজন ছাড়াই দেয়া হচ্ছে। খাদ্যগুদাম থেকে দেয়া প্রতি বস্তায় দুই থেকে তিন কেজি চাল কম হচ্ছে। এতে কার্ডধারীদের সঙ্গে আমাদের বিভিন্ন সমস্যা হচ্ছে। যার কারণে গতকাল গুদাম থেকে ট্রাকযোগে চাল বের হলে তা মেপে প্রতি বস্তায় চাল কম পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে সিরাজগঞ্জ এলএসডি সংরক্ষণ ও চলাচল কর্মকর্তা এসএম শফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, সরবরাহকৃত চালের বস্তায় কোনো চাল কম দেয়া হয়নি। সময়ের অভাবে সব বস্তা মাপা সম্ভব হয় না। কেউ মাপার কথা বললে তাকে মাপ দিয়ে দেয়া হয়।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মাহবুর রহমান খান এ বিষয়ে বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অন্য কর্মকর্তাদের বলা হয়েছে।