চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের মীরেরহাটে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় নারীসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো অন্তত ১৫ জন।
রোববার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুন্ড পৌরসভার বটতল এলাকায় চট্টগ্রামমুখী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চট্টগ্রামমুখী সিডিএম লাইন নামের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রন হারিয়ে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাককে জোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই অন্তত ৪ জন নিহত হন। তবে হাসপাতালে নেয়ার পথে কেউ মারা গেছে কিনা জানেননা তারা। তবে এ ঘটনায় গুরুতর অন্তত ১০ জনের বেশি গুরুতর আহত হলেও সব মিলিয়ে ১৫ জনের বেশি আহত হতে পারে।
বাসে থাকা আলী হোসেন নামের এক যাত্রী জানান, গাড়িতে সিট ক্যাপাসিটির বাইরে দাড়িয়ে অনেক যাত্রী ছিল। আমি ও আমার ছেলে ঢাকা থেকে মাছ নিয়ে উঠেছিলাম চট্টগ্রামে যাওয়ার জন্য। হঠাৎ করে কিভাবে এ ঘটনা ঘটলো বুঝতে পারছি না। আমি ও আমার ছেলে সামান্য আহত হয়েছি। তবে কয়েকজন মারা গেছে। অনেকে আহত হয়েছে। কয়েকজনের অবস্থা বেশ গুরুতর।
চট্টগ্রামের কুমিরা হাইওয়ে থানার ফাঁড়ির ইনচার্জ জাকির রব্বানি বণিক বার্তাকে বলেন, ঢাকা থেকে চট্টগ্রামমুখী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এখন পর্যন্ত ৫ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতরা সবাই বাসের যাত্রী ছিলেন।
তিনি আরো জানান, আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সীতাকুন্ড ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ বেলাল হোসেন জানান, খবর পেয়ে দ্রত ঘটনাস্থলে গিয়ে ৪টি লাশ উদ্ধার করি। পরে আহত আরেকজন হাসপাতালে মারা গেছে বলে জেনেছি। আমরা আহত দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠাই। যদিও আমরা যাওয়ার আগে স্থানীয়রা আহতদের হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। তবে সড়কে যানবাহন চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি।
সীতাকুন্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. ইমরান জানান, দুর্ঘটনার পর ২০ জনকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাদের মধ্যে ১২ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।










