সিলেটে যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে শেওলা স্থলবন্দর এলাকার তিন কিলোমিটার সড়ক। শেওলা সেতু থেকে স্থলবন্দর পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে সড়ক ভেঙে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। বন্যার আগে সড়ক ও জনপথ বিভাগ দায়সারাভাবে সড়কটি মেরামত করে যান চলাচলের উপযোগী করে দিয়েছিল। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর সড়কটি আগের অবস্থায় ফিরে গেছে। ব্যাহত হচ্ছে যান চলাচল। আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন সিলেটের ব্যবসায়ীরা।
সিলেট বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর শেওলা স্থলবন্দর। এ বন্দর দিয়ে ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ পাথর, কয়লা, বিভিন্ন ধরনের খাদ্যসামগ্রী পেঁয়াজ ও আদা আমদানি হয়ে থাকে। বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ সিমেন্ট, মাছ, তুলা ও বিভিন্ন ধরনের খাদ্যসামগ্রী রফতানি হয়ে থাকে। তাছাড়া শেওলা স্থলবন্দর দিয়ে শত শত যাত্রী ভারতে যাতায়াত করেন। এতে সরকার বিপুল রাজস্ব আয় করে। বর্তমান বন্যার পর শেওলা
সেতু থেকে শেওলা স্থলবন্দর পর্যন্ত সড়কে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গর্তে বৃষ্টির পানি জমে কাদায় বেহাল অবস্থা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে এ সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।
সিলেট কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি ও সিলেট চেম্বারের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি চন্দন সাহা বলেন, সড়কটি যখন মেরামত করা হয়, আমরা তখনই আপত্তি তুলে ছিলাম। দায়সারা কাজ হয়েছে। মেরামতের পরপরই বন্যা দেখা দেয়। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর বর্তমানে সড়কটি আরো নাজুক হয়ে পড়েছে। ফলে পণ্যবাহী পরিবহন স্থলবন্দরে যেতে চায় না। জরুরি ভিত্তিতে সড়কটি মেরামতে উদ্যোগ গ্রহণ করা না হলে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে ও আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হবে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সড়কটি একবার মেরামত করে দেয়া হয়েছিল। বন্যার পানিতে পুনরায় খারাপ হয়ে গেছে। আবারো মেরামতের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।










