এ সময় জামায়াত আমিরের সঙ্গে ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন এবং ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য কর্নেল (অব.) আবদুল বাতেন এমপিসহ ঢাকা মহানগরী উত্তরের নেতারা।

রামিসার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সংক্ষিপ্ত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘গত ১৯ মে রামিসা হত্যার শিকার হয়েছে। সেদিন দিবাগত রাতেই আমি হজের সফর শুরু করি। ওই সময়ই খবর পাই যে এ ধরনের একটি নৃশংস ঘটনা ঘটেছে। আমার সহকর্মীদের অনুরোধ করি যে আমরা সবাই সেখানে যাব, তাদের সান্ত্বনা দেব এবং তাদের কষ্টের অংশীদার হব।’

তিনি বলেন, ‘পাশবিক ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমাদের প্রিয় সংগঠন সোচ্চার প্রতিবাদ মিছিল, মিটিং করেছে ও বিচারের দাবি জানিয়েছে। এ নরপশুর বিচার সম্পন্ন হওয়ার পরে শাস্তি বাস্তবায়ন কার্যকর করার দাবিতে আমরা কর্মসূচি পালন করেছি। আমাদের দাবি স্পষ্ট, যারা এ ধরনের ঘৃণ্য ও বর্বরোচিত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেয়া যাবে না। যারা এভাবে আত্মস্বীকৃত ধর্ষণকারী ও হত্যাকারী এদের বিচার লম্বা হওয়া মানেই হলো এদের সহযোগিতা করা, অন্যায়ের পক্ষ নেয়া, দুষ্কৃতকারীর পক্ষ নেয়া।’

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘৭ জুন বাজেট অধিবেশন শুরু হবে। ওইদিনই আমি এ বিষয়টা সামনে নিয়ে আসব ইনশা আল্লাহ। শুধু রামিসার জন্য না, এ দেশের প্রত্যেকটি মেয়ের বাবা হয়ে, তাদের দাদা হয়ে, নানা হয়ে আমি দাঁড়াব ইনশা আল্লাহ। লড়াই চলবে, এ লড়াইয়ে মানবতার বিজয় হবে।’

তিনি বলেন, ‘রামিসার মা-বাবা দুজনই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। দুজনকে আল্লাহ সুস্থতার নেয়ামত এনায়েত করুন। আর রামিসাকে জান্নাতের পাখি হিসেবে কবুল করুন।’ এ ঘটনায় ব্যথিত হয়ে ধর্ষক খুনির প্রতি ধিক্কার ও নিন্দা জ্ঞাপনকারীদের ধন্যবাদ জানান আমিরে জামায়াত।