মানিকগঞ্জের শিবালয়ে এক পুলিশ সদস্য ও হরিরামপুরে প্রেস ব্যবসায়ী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে ওই দুই উপজেলার নয়টি গ্রাম লকডাউন করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
আজ শনিবার সকালে জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আরশাদ উল্লাহ জানান, শিবালয় উপজেলায় যিনি আক্রান্ত হয়েছেন, তিনি গোপালগঞ্জের মকসুদপুর থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত। গত ৬ এপ্রিল করোনার উপসর্গ নিয়ে তিনি শিবালয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। সেখান থেকে তার নমুনা সংগ্রহ করে রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিসিআর) পাঠানো হয়েছিল। শুক্রবার রাতে আসা রিপোর্ট করোনা পজিটিভ ধরা পড়লে তাকে জেলা হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিট থেকে ঢাকার কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
শিবালয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফিরোজ মাহমুদ বলেন, পুলিশ কনস্টেবল আক্রান্ত হওয়ার পরে আটটি গ্রাম লকডাউন করা হয়েছে।
এদিকে, হরিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আব্দুল মালেক বলেন, গত ৮ এপ্রিল এক প্রেস ব্যবসায়ী ঢাকা থেকে হরিরামপুরে তার বাড়িতে আসেন। করোনার উপসর্গ দেখা দিলে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগাযোগ করেন। সেখান থেকে তার নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআরে পাঠানো হয়। আইইডিসিআর নিশ্চিত করেছে, তিনি করোনায় আক্রান্ত।
হরিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, আক্রান্ত ব্যক্তির গ্রাম লকডাউন করা হয়েছে।
এর আগে, গত ৫ এপ্রিল তাবলিগ জামাতের মুসল্লি করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পরে সিংগাইর পৌর এলাকা এবং মানিকগঞ্জ থেকে ফিরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের এক কৃষি শ্রমিক করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়ায় ৭ এপ্রিল সিংগাইর উপজেলার জামির্তা ইউনিয়ন লকডাউন করে স্থানীয় প্রশাসন।










