বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দল সরকার গঠন করলে দেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য একটি পৃথক সাংস্কৃতিক একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যদের বহুকাল ধরে লালিত কৃষ্টি ও সংস্কৃতি। তিনি বলেন, ‘আমাদের দায়িত্ব সব সম্প্রদায়ের যেন অর্থনৈতিক উন্নতি হয় এবং তাদের কৃষ্টি-সংস্কৃতি ধরে রাখার জন্য কাজ করা। এ অবস্থায় আমরা বলতে চাই বিএনপি সরকারে এলে সরকারিভাবে ওয়ানগালা পালনের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।’
গতকাল সন্ধ্যায় বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজে আয়োজিত ‘ঢাকা ওয়ানগালা ২০২৫’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ঢাকায় জাতিগত সংখ্যালঘুদের জন্য একটি পৃথক সাংস্কৃতিক একাডেমি প্রতিষ্ঠা এবং তাদের বিভিন্ন উৎসব আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপনের বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করা হবে।’
গারোরা বিশ্বাস করেন, শস্য দেবতা ‘মিশি সালজং’ পৃথিবীতে প্রথম ফসল দিয়েছিলেন এবং তিনি সারা বছর পরিমাণমতো আলো-বাতাস, রোদ-বৃষ্টি দিয়ে ভালো শস্য ফলাতে সহায়তা করেন। তাই নতুন ফসল ঘরে তোলার সময় ‘মিশি সালজং’কে ধন্যবাদ জানাতে উৎসবের আয়োজন করেন তারা। এ উৎসবকেই ওয়ানগালা উৎসব বলা হয়।
বিএনপি সরকার গঠন করলে জাতিগত সংখ্যালঘুদের সমস্যাগুলো সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সম্প্রতি আমি জাতিগত সংখ্যালঘুদের সঙ্গে কথা বলছি এবং তাদের সমস্যাগুলো শুনছি।’ দেশের মূলধারার সংস্কৃতিতে সব জাতিগত সংখ্যালঘুদের একীভূত করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে প্রবীণ এ বিএনপি নেতা বলেন, ‘সবাইকে আমাদের মূলধারার সংস্কৃতির সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। চেতনা ও মননে সবাইকে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে দাঁড়াতে হবে।’










