নারায়ণগঞ্জের মদনপুরে একটি বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সুলতানা আক্তার (৩৮) মারা গেছেন। আজ শুক্রবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর দেড়টার দিকে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তার মৃত্যু হয়।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান। তিনি জানান, সুলতানা আক্তারের শরীরের প্রায় ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

একই ঘটনায় দগ্ধ আলী আহমদ মান্নান ৩০ শতাংশ, ছেলে সিয়াম ৭৭ শতাংশ এবং মেয়ে মিমি ৪১ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পথচারী শিশু হযরত আলীর শরীরের ৮ শতাংশ পুড়ে যাওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে মদনপুরের ছোটবাগ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা হলেন— সবজি ব্যবসায়ী আলী আহমদ মান্নান (৫০), তার স্ত্রী গার্মেন্টস কর্মী সুলতানা আক্তার (৩৮), ছেলে কলেজ শিক্ষার্থী সিয়াম (১৯), মেয়ে স্কুল শিক্ষার্থী মিমি (৯) এবং পথচারী শিশু হযরত আলী (৮)।

স্বজনদের ভাষ্য, মদনপুরের একটি একতলা বাড়িতে ভাড়া থাকতেন ওই পরিবার। বাসার গ্যাসচুলার লাইনে লিকেজ থাকায় আলী আহমদ মান্নান নিজেই সেটি মেরামতের চেষ্টা করেন। পরে সুলতানা আক্তার রান্না শুরু করলে কিছুক্ষণ পর বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে পরিবারের চার সদস্য ও বাড়ির সামনে থাকা এক শিশু দগ্ধ হন।

পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করেন।