ধর্ষণের প্রতিবাদ করায় সাব্বিরকে (১১) শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে তার চাচা ইমরান
আকন্দ। পুলিশ জানায়, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় মাদরাসাছাত্র কিশোর সাব্বিরকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ করে আসছিলেন ইমরান আকন্দ। পরে লোক জানাজানির ভয়ে তাকে হত্যা করেন তিনি। এ
ঘটনায় অভিযুক্ত ইমরান আকন্দকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সাব্বির হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন
করে এসব তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।
আজ বুধবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে
গোবিন্দগঞ্জ থানা চত্বরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইবনে
মিজান জানান, গত ১৭ ডিসেম্বর বাড়ি থেকে বের হয়
সাব্বির। পরদিন বিকেলে আলাই নদীর পাড়ে
নির্জন একটি ঝোঁপের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার
করা হয়।
প্রযুক্তির সহায়তায়ই সাব্বিরের হত্যাকারীকে শনাক্ত করা
হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরে গতকাল ৯ জানুয়ারি রাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে গ্রেফতার
করা হয় সাব্বির হত্যার মূল অভিযুক্ত ইমরান আকন্দকে। গ্রেফতার
ইমরান আকন্দ সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, জিজ্ঞাসাবাদে ইমরান নিজের ভাতিজা সাব্বিরকে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। তিনি গত ৩ বছর ধরে সাব্বিরকে নিয়মিত ধর্ষণ করে আসছিলেন। এ ঘটনা অন্যদের বলে দেয়ার সম্ভাবনা থাকায় তাকে হত্যা করেন ইমরান।
পুলিশ জানায়, গত ১৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে
বাড়ির পাশের একটি কলার বাগানে নিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন ইম রান। সেদিন রাতেই
মরদেহ বস্তায় ভরে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের
রামচন্দ্রপুর গ্রামের আলাই নদীর পশ্চিম পাড়ে নির্জন ঝোঁপে
ফেলে আসে সে।









