ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জীববিজ্ঞান অনুষদভুক্ত বিভিন্ন বিভাগের ৭৫ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে ‘ডিনস অ্যাওয়ার্ড’ দেয়া হয়েছে। ২০২১ ও ২০২২ সালের স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় অসাধারণ ফলাফলের স্বীকৃতি হিসেবে এ পুরস্কার দেয়া হয়।
আজ মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. এনামুল হকের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারপারসনরা অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেন। এ সময় ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মিহির লাল সাহা।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান শিক্ষার্থীদের দেশের সামাজিক সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করতে মেধাবীদের সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে। তিনি ডিনস অ্যাওয়ার্ড পাওয়া শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অ্যালামনাইদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে মেধাবীদের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
জীববিজ্ঞান অনুষদের আটটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা এবার ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। এর মধ্যে মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিজ্ঞান, উদ্ভিদবিজ্ঞান, প্রাণিবিদ্যা, প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান, অণুজীব বিজ্ঞান, মৎস্যবিজ্ঞান এবং জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগ থেকে প্রতিটি বিভাগে ১০ জন করে মেধাবী শিক্ষার্থীকে এ পুরস্কার দেয়া হয়েছে।
ডিনস অ্যাওয়ার্ড পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছেন— সুমাইয়া জান্নাত সুপ্তি, সাদিয়া আফরোজ এশা, আনোয়ার হোসেন রায়হান, কারিবা হাসান, অর্পিতা হোসেন মুক্তা, মারজুকা এহসান, নাহলা নূর, শুভাব্রত ঘোষ, সুমাইয়া শারমিন ও ওয়াসি আহমেদ (মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিজ্ঞান); আবিদা আঞ্জুম, মো. তানবীর হাসান শিশির, মো. তানজিম আহমেদ, ফাবলিহা তাহসিন মাইমা, সাবিহা সুলতানা, বিনতে আমজেদ তাবাসসুম, ফারিহা নাজনীন তন্দ্রা, তাসফিয়া তাবাসসুম রাইসা, সিদ্দিকা বেগম ও শাজনীন জাহান শৈলী (উদ্ভিদবিজ্ঞান); ইসমত জামান উর্বশী, সালাহুন আমিরা, পপি রানী দাস, সেতু মল্লিক, মো. নাঈম হোসেন, হাজবুন তাসনিম, রাজিয়া সুলতানা সেতু, ফারজানা আক্তার, হুমাইরা হাবিবা ও সিয়াম ফেরদৌস ইমন (প্রাণিবিদ্যা); আনহা তাসনিম, আফরা আঞ্জুম সুমাইয়া, জয়তি মণ্ডল, মাহিয়া আহমেদ, মোহাম্মদ মামুনুর রশীদ, খালিদ হাসান রাজ, ইবতিদা নুসায়বা মুশাররাত, দেবযানী রাহা কথা, ইমাম হোসেন ও ওমর ফারুক (প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান); আলিমা আক্তার মিথিলা, নাহিদা সুলতানা, মানাল মাহবুব খান, তমা অধিকারী ও আ ন ম আবদুল্লাহ (মনোবিজ্ঞান); আতিকা, মো. হাসিবুল হাসান, কল্পনা আক্তার, মির্জা তৌসিফ হক, ফারদিন ফরহাদ, মোহাম্মদ আজিজুল হক, সুদীপ্ত চৌধুরী চৈতি, আতিক আবরার রহমান, ইনশিরা আফরোজ সেতু ও মো. আরিফুর রহমান (অণুজীব বিজ্ঞান); মো. ইমরান খান, সৈকত দাস, ফাতেমা বিনতে রেজাউল, সুমাইয়া শাফরিন, সুমাইয়া বিনতে সালাম, সুরাইয়া ইসলাম পিয়া, রাজিয়া সুলতানা রুমান, মো. জাফরুল ইসলাম, মোসাদ্দিক আল হক ও সুমাইয়া আক্তার (মৎস্যবিজ্ঞান) এবং রিফা নাওয়ার, অনিক বিশ্বাস, সুপান্থ দে, তাহমিনা আক্তার, মো. আমিনুল ইসলাম, মো. তামজিদ হোসেন তানিম, খালিদ শাহরিয়ার, অনিক মজুমদার, জয়ত্রী সরকার ও সুব্রত কর্মকার (জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি)।










