নারায়ণগঞ্জে করোনার সংক্রমণ বর্তমানে কমতির দিকে রয়েছে। প্রথম দিকে সংক্রমণের হার ২০ শতাংশ থেকে কমে ১২ শতাংশে নেমে এসেছে বলে জানিয়েছেন করোনা প্রতিরোধে নারায়ণগঞ্জ জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সচিব রকিব হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘এটি যদি ৯ নিচে নামিয়ে আনা যায় তবে আমরা বলতে পারবো, নারায়ণগঞ্জে করোনার সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণে এসেছে।’
সংক্রমণের হার কমে আসার বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে। কী কারণে সংক্রমণের হার বেড়েছিল, কেন সংক্রমণের হার বাড়তি ঠেকানো সম্ভব হয়নি বা কী কারণে কমতির দিকে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে সেটি বিশ্লেষণ করা হবে। পরে অন্যস্থানগুলোতে প্রয়োগ করে করোনার সংক্রমণ রোধে কাজ করা হবে।
শনিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে করোনা প্রতিরোধ মোকাবেলা ও ত্রাণ কার্যক্রম সমন্বয় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন মো. ইমতিয়াজ আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক খাদিজা খানম, খানপুর ৩শ শয্যা হাপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. গৌতম রায়, জেলা করোনা ফোকাল পার্সন ডা: জাহিদুল ইসলাম, খানপুর হাসপাতালের আরএমও ডা. সামসুদ্দোহা সরকার সঞ্চয়সহ অনেকে।
বাংলাদেশ লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সচিব রকিব হোসনে বলেন, ‘দ্বিতীয় ফেইজে করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে এবং শীতকালীন সময়ে তাপমাত্রার সাথে যদি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কোন যোগসূত্র থাকে সেটি ঠাকানোর জন্য আগাম পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। সাধারণ ছুটি বা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য আমাদের যে ঠিলেঢালা ভাব ছিল সেগুলো চিহ্নিত করে কঠোরভাবে প্রদক্ষেপ নিতে হবে। যাতে শীতকালে করোনার সংক্রমণ রোধ করা যায়।
এছাড়া করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধের জাতীয় কমিটি নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, চট্রগ্রামসহ কয়েকটি জায়গায় গরুর হাট না বসানোর জন্য সুপারিশ করেছেন। সেটা বিবেচনায় নিয়ে কয়েকদিন আগে আমরা বড় পরিসরে একটি সভা করেছিলাম। সেই সভায় কোরবানির ঈদে হাট ও সংক্রমণের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য গরুর হাটের সংখ্যা কমিয়ে আনার জন্য বলেছি। করোনা জাতীয় কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী সরকার যে সিদ্ধান্ত দেবে সেই আলোকেই কাজ করবে জেলা প্রশাসন।










