জাতীয় নির্বাচনে তিনশ আসনে প্রায় ৪২ হাজার কেন্দ্র আছে, অর্থাৎ একদিনে ১০ লাখের বেশি কর্মকর্তা প্রয়োজন হয়। এমন বৃহৎ কর্মযজ্ঞে নির্বাচন কমিশনের নিজের সীমিত জনবল ও অতীতে বিতর্কিত কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে ইসি সরকার থেকে জনবল ধার নেয়। তারা কারা? তারা সিভিল, পুলিশ, বিচার বিভাগ থেকে আসেন। বিগত ১৫ বছর প্রশাসনকে রাজনৈতিকভাবে তৈরি করা হয়েছিল। বিএনপি জানতে চায় এ বিশাল জনবল কীভাবে নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা করবে।’

গতকাল আগারগাঁওয়ের ইসি ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে ড. আব্দুল মঈন খান সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘গত তিনটি নির্বাচনে ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে। ১৫ বছর ধরে যাদের চরিত্রহনন হয়েছে, তারা ১৫ মাসে বদলে যাবে—এটা বাস্তব নয়। আমরা সিইসিকে অনুরোধ করেছি কোনো দলীয় প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের এবং বিতর্কিতদের কোনোভাবেই দায়িত্বে না রাখতে।’

দীর্ঘ ১৭ বছরের সংগ্রাম ও ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের ফলে আজ নির্বাচন হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ইসিকে বলেছি তারা যেন একটা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দিয়ে উদাহরণ সৃষ্টি করতে পারে। আচরণবিধি ও জনপ্রতিনিধিত্ব আদেশে সংশোধনী চেয়ে বিএনপি এক বছর আগে প্রস্তাব দিয়েছে। কমিশন তা বিবেচনায় নিয়েছে এবং সেসব সুপারিশ সরকারের কাছে পাঠিয়েছে।’