গাজীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমানকে প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন গাজীপুর মহানগর পুলিশের কমিশনার ড. মোহাম্মদ নাজমুল করিম খান।
তিনি ছাত্রদের উদ্দেশে বক্তব্যে বলেন, যে বিপ্লবের মাধ্যমে আপনারা একটি সুন্দর বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন, যে বিপ্লবের মাধ্যমে দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদকে আপনারা এ দেশ থেকে বিতাড়িত করেছেন, সে ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্মারা এখনো দেশে রয়ে গেছে। আপনাদেরকে আমি বলতে চাই, আপনাদের শরীরে যে ফ্যাসিবাদ বিরোধী রক্ত, আমার শরীরেও সে ফ্যাসিবাদ বিরোধী রক্ত। গত রাতে যে ঘটনাটি ঘটেছে তার জন্য আমি পুলিশের পক্ষ থেকে আপনাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি, ব্যর্থতা স্বীকার করছি। পাশাপাশি আমি আপনাদেরকে আশ্বস্ত করতে চাই, আমি তাদেরকে ছাড় দেব না, তাদের প্রত্যেকের আঘাতের প্রতিঘাত দিতে চাই। যারা আপনাদেরকে আঘাত করেছে তাদের প্রত্যেককে এ আঘাতের শিকার হতে হবে। আমি আপনাদেরকে বলতে চাই, আমরা এক এক করে সবাইকে খুঁজে বের করব । আমি নিশ্চয়তা দিতে চাই এখানকার যেসব পুলিশ রেসপন্স করতে দেরি করেছে তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।
আজ শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে গাজীপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে রাজবাড়ী সড়কে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে দুপুরে নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাজবাড়ী সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা।
ড. মোহাম্মদ নাজমুল করিম খান বলেন, আমি শুনেছি, দুই ঘণ্টা পরে আমার ওসি আপনাদের ডাকে সাড়া দিয়েছে। আমি তাকে সাসপেন্ড করব। আমি নিশ্চয়তা দিতে চাই, যারা ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আঁতাত করবে তাদেরকে পুলিশে চাকরি করতে দেয়া হবে না। এতদিন যে ফ্যাসিবাদ পুলিশ তৈরি হয়েছে, এ ফ্যাসিবাদ থেকে পুলিশকে বেরিয়ে আসতে হবে, জনগণের পুলিশ হতে হবে।










