ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি বাড়ায় সাতক্ষীরার মসলা বাজারগুলোতে দাম কমেছে জিরার। গত অর্থবছরের প্রথম সাত মাসের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে জিরার অন্তত ২০০ টন আমদানি বেড়েছে ভোমরা বন্দরে। এতে করে সাতক্ষীরার সুলতানপুর বড় বাজারে কেজিতে ৮০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে জিরার।
মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সাতক্ষীরা জেলা সদরের সুলতানপুর বড় বাজারের মসলা বিপণন প্রতিষ্ঠান মেসার্স সরদার স্টোরে আমদানিকৃত ভারতীয় জিরা খুচরা বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ৬০০ টাকা এবং সিরিয়ার আমদানিকৃত জিরা ৭০০ থেকে ৭২০ টাকা ও তুরস্কের জিরা ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। এক মাস আগেও ভারতীয় জিরা ৬৫০ থেকে ৬৮০ টাকা এবং সিরিয়ার জিরা ৮০০ টাকা ও তুরস্ক জিরা ৮৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়। এ প্রতিষ্ঠানের স্বত্তাধিকারী আব্দুল হাকিম বণিক বার্তাকে বলেন, আমদানি বাড়ায় সব ধরনের জিরা ৮০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে।
এদিকে ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব শাখা থেকে জানা গেছে, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই হতে জানুয়ারি পর্যন্ত এ বন্দর দিয়ে জিরা আমদানি হয়েছে ১ হাজার ২২৬ টন। যার আমদানি মূল্য প্রায় ৫২ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময় অর্থাৎ জুলাই হতে জানুয়ারি পর্যন্ত জিরা আমদানি হয় ১ হাজার ৭ টন। যার আমদানি মূল্য ৩৬ কোটি ৯৪ টাকা। এ হিসাব অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের গত সাত মাসে পণ্যটির আমদানি বেড়েছে ২১৯ টন।
ভোমরা স্থলবন্দরের মসলাজাত পণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স এন্টারপ্রাইজের স্বত্তাধিকারী আবু হাসান বণিক বার্তাকে বলেন, সম্প্রতি তার প্রতিষ্ঠানে অন্যান্য মসলা পণ্য আমদানির পাশাপাশি জিরা আমদানি বেড়েছে। পণ্য আমদানি বাড়ার কারণে দাম কিছুটা কমেছে।
সাতক্ষীরা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষি বিপণন কর্মকর্তা এসএম আব্দুল্লাহ বণিক বার্তাকে জানান, জিরাসহ অন্যান্য মসলার দামও বাজারে কমতির দিকে। তবে ভোজ্য তেলের দামটা এখনো কমেনি।










