ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ‘নবীনগর-শিবপুর-রাধিকা’ আঞ্চলিক মহাসড়কের কাজ শেষের
আগেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিল তোলার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নির্বাহী প্রকৌশলী ও দুজন উপবিভাগীয় প্রকৌশলীসহ তিনজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাও রুজু করা হয়।
গত ৭ মার্চ রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের
সচিব এবিএম আমিন উল্লাহ নুরী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনের
অনুলিপি সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম
সচিব (প্রশাসন) এবং সংশ্লিষ্ট তিন কর্মকর্তার কাছেও পাঠানো হয়েছে।
সাময়িক বরখাস্তকৃতদের মধ্যে পংকজ ভৌমিক এক সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়ক
ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এবং ওই মহাসড়ক নির্মাণ প্রকল্পের ব্যবস্থাপক হিসেবে
কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি জামালপুর জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে
কর্মরত রয়েছেন। এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের দুই উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ডেইজি
রায় টুম্পা ও খন্দকার নেসার আহাম্মদকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
আদেশে বলা হয়, বর্ণিত চলমান প্রকল্পের (PW-03) প্যাকেজের
কাজ অসম্পূর্ণ রেখে ঠিকাদারকে সম্পূর্ণ বিল ও জামানত পরিশোধ করার বিষয়টি সড়ক পরিবহন
ও মহাসড়ক বিভাগ কর্তৃক দুই সদস্য বিশিষ্ট কমিটি দ্বারা তদন্ত করা হয়। তদন্তে অভিযোগের
প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়। এ ধরনের কার্যক্রম সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা
২০১৮ এর বিধি ৩ (খ) এ বর্ণিত অসদাচরণ এবং গুরুদণ্ড আরোপযোগ্য অপরাধ। এজন্য বিধি মোতাবেক
তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাও রুজু করা হয়। সাময়িক বরখাস্তকালীন তারা প্রধান প্রকৌশলীর
দফতর সংলগ্ন ছুটি, প্রশিক্ষণ ও প্রেষণজনিত সংরক্ষিত (সিভিল) পদ, ঢাকায় সংযুক্ত থাকবেন।









