খুলনায় করোনা পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে দাঁড়াচ্ছে। করোনার উপসর্গ নিয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা সাসপেকটেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে একদিনেই সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৩ মার্চ ওয়ার্ডটি চালুর পর উপসর্গ নিয়ে থেকে এ পর্যন্ত ৫১ জনের মৃত্যু হল। এছাড়াও জেলায় নতুন করে আরো ১৩৩ জনের শরীরের মহামারী এই ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট ৮০৫ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হলো। এর মধ্যে গত চারদিনে পজিটিভ হয়েছেন ৩৪০ জন।
খুমেক হাসপাতালের করোনা প্রতিরোধ ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা কমিটির সার্বিক সমন্বয়কারী এবং খুলনা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মো. মেহেদী নেওয়াজ এ সব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গতকাল শুক্রবার (১৯ জুন) খুলনা মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে ৩৭৭টি নমুনা পরীক্ষা হয়। এর মধ্যে ১৪০ জনের ‘পজিটিভ’ শনাক্ত হয়। এর মধ্যে শুধুমাত্র খুলনারই ১৩৩ জন। বাকী সাতজনের মধ্যে একজন যশোর, দু’জন নড়াইল, তিনজন বাগেরহাট এবং একজন পিরোজপুরের।
তিনি জানান, ভাইরাসটিতে সংক্রমিত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৯৪ জন, বাকীরা বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এছাড়াও আক্রান্ত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
খুমেক হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) এবং করোনা সাসপেকটেড আইসোলেশন ওয়ার্ড ও ফ্লু কর্নারের মুখপাত্র ডা. মিজানুর রহমান বলেন, ১৯ জুন একদিনে করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃতরা হলেন মহানগরীর খলিশপুর কাশিপুরের জরিনা বেগম(৬০), রূপসার খাজাডাঙ্গা এলাকার মোহাম্মদ আলী (৬০), নড়াইলের কালিয়ার কার্ত্তিক (৪০), যশোরের অভয়নগরের রুমা বেগম (৩৫), নগরীর ৫ নম্বর ঘাটের জামসেদ আলম (৬০), সোনাডাঙ্গার নাসিম আহমেদ (৬০) এবং টুটপাড়ার ফিরোজ আহমেদ (৬৯)।










