ঈদের দিন থেকে টানা চারদিন খুলনা বিভাগে দৈনিক কভিড শনাক্ত হাজারের নিচে ছিল। তবে এ সময় নমুনা পরীক্ষাও অনেক কম হয়েছে। চারদিন পর আবারো শনাক্ত হাজার ছাড়িয়েছে।
বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ২৭৮ জনের কভিড শনাক্ত হয়েছে। ৪ হাজার ৪৬২টি নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ২৮ দশমিক শূন্য ৬৪ শতাংশ। এ সময় ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছে ১ হাজার ৩৫৫ জন।
গতকাল দুপুরে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডাক্তার ফেরদৌসী আক্তার এ তথ্য জানিয়েছেন।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য সহকারী পরিচালক বলেন, খুলনা বিভাগে শনিবার কভিডে ৩৩ জনের মৃত্যু, ৮৫৮ জন সুস্থ ও ২৪৯ জনের কভিড শনাক্ত হয়েছিল। শনিবারের চেয়ে গতকাল মৃত্যু, সুস্থ, শনাক্ত, শনাক্তের হার ও নমুনা পরীক্ষা সবই বেড়েছে।
কভিডে মারা যাওয়া সর্বশেষ ৪৫ জনের মধ্যে কুষ্টিয়ায় ১৫ জন, খুলনায় ১১, যশোরে ছয়, মাগুরা ও মেহেরপুরে তিনজন করে, বাগেরহাট ও ঝিনাইদহে দুজন করে এবং চুয়াডাঙ্গা, সাতক্ষীরা ও নড়াইলে একজন করে রয়েছে।
ফেরদৌসী আক্তার বলেন, বিভাগে কভিডে মৃত্যুর সংখ্যা ২ হাজার ১৭১। মৃত্যুহার ২ দশমিক ৪৯। বিভাগে খুলনা জেলায় কভিডে সর্বোচ্চ ৫৬৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। কুষ্টিয়ায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া যশোরে ৩১১ জন, ঝিনাইদহে ১৮২, চুয়াডাঙ্গায় ১৫০, মেহেরপুরে ১২৪, বাগেরহাটে ১১৫, নড়াইলে ৮৫, সাতক্ষীরায় ৮৩ ও মাগুরায় ৫৮ জন মারা গেছে।
তিনি বলেন, ২৪ ঘণ্টায় আরটি-পিসিআর ল্যাবে ১ হাজার ৭০৫ জন, জিন এক্সপার্টে ৬৬ জন ও র?্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় ২ হাজার ৬৯১ জনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। আগের ২৪ ঘণ্টার চেয়ে ৩ হাজার ৪৯২টি নমুনা বেশি পরীক্ষা হয়েছে। আগের ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ছিল ২৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, বিভাগে এখন পর্যন্ত কভিড শনাক্ত হয়েছে ৮৭ হাজার ৬২ জনের। শনাক্ত বিবেচনায় জেলাগুলোর মধ্যে শীর্ষে আছে খুলনা। এ জেলায় এখন পর্যন্ত ২২ হাজার ৩৮৭ জনের কভিড শনাক্ত হয়েছে।









