বর্তমানে অনেক কিছু ঘটছে। নারীদের নিরাপত্তাহীনতা সবসময়ই থাকে। এখন জায়গায় জায়গায় প্রতিদিন মব জাস্টিস, মারামারি ও বিশৃঙ্খলা হচ্ছে। কয়েকদিন আগে লক্ষ করলাম রাজপথে একটি আন্দোলনের মধ্যে পুলিশ নারীদের মারধর করল। এসবের মধ্য দিয়েই আমাদের চলতে হয়। তাই আমরা চাই সরকার যেন সঠিকভাবে সুরক্ষা দিতে পারে।
বরাবরই নির্বাচনের সময় একটা ভীতি কাজ করে। দেশের সার্বিক পরিস্থিতিতে সবকিছু মিলিয়ে নারীরা কিছুটা হলেও ভীতসন্ত্রস্ত বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। দেশ আগের মতো নেই। সার্বিকভাবে নারীর জন্য নিরাপদ বোধের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে। যতটুকু পিছিয়েছি, তার থেকে অনেক দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে নারী হিসেবে আমার প্রত্যাশা হলো—সামগ্রিকভাবে সবকিছুতে নারীদের ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করা, সম-অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং তা অক্ষুণ্ণ রাখা।
নারী ও শ্রমিক হিসেবে আমাদের জন্য যেসব প্রতিকূলতা বিরাজমান, তা দূর করে কর্মক্ষেত্রে মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মস্থল নিশ্চিত করতে হবে। ভোটের জন্য আমরা নিরাপদ ভোট কেন্দ্র, নিরাপদ চলাচল ও যাতায়াত ব্যবস্থা চাচ্ছি।
পরিবহন, সড়ক ও বাসে নারীর প্রতি সহিংসতা ও ধর্ষণের মতো ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে। মাতৃত্বকালীন ছুটি এবং রাষ্ট্র ও শ্রমিকের মধ্যে বৈষম্য দূরীকরণ এখন সময়ের দাবি। কর্মক্ষেত্রে নারীর সম-অধিকার, ক্ষমতায়ন এবং নেতৃত্ব—সব রাজনৈতিক দলকে স্বীকার করতে হবে। যেহেতু সংবিধানে নারী-পুরুষের সম-অধিকার দেয়া আছে, সেহেতু নীতিনির্ধারণী বা সর্বোচ্চ পর্যায়ে নারী নেতৃত্ব দেখা আমাদের একটি বড় প্রশ্ন ও আকাঙ্ক্ষার বিষয়।
দেশটা সবার আগে, নারী-পুরুষ সবার জন্যই এটি একটি নিরাপদ দেশ হোক। আমরা নতুন কিছু দেখতে চাই।













