চাঁদপুরের মেঘনায় থেমে থাকা জাহাজ থেকে ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে কীভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছে তা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। এছাড়া আরো ৩ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করেছে। উদ্ধারকৃত তিনজনকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে দুজন সদর হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭ জন।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুর কোস্ট গার্ড স্টেশনের স্টেশন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাশহাদ উদ্দিন নাহিয়ান। তিনি বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করতে পেরেছি এবং ৩ জনকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ২ জন হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করে। আহত নিহত সবাইকে মাথায় আঘাত করা হয়েছে। বাকি ১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। জাহাজে মোট আটজন ছিল।
তিনি জানান, চট্টগ্রাম থেকে সার নিয়ে সিরাজগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল জাহাজটি। দুপুরে কোস্ট গার্ডের হেড অফিস থেকে ওই জাহাজটি সম্পর্কে জানতে পারি। এ বিষয়ে এখনো অভিযান চলছে। তাৎক্ষণিকভাবে জাহাজে থাকা কারো পরিচয় জানা যায়নি।
মেঘনায় থেমে থাকা জাহাজ থেকে ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার, ৩ জন মুমূর্ষু অবস্থায়
ঘটনাটি ডাকাতি কিনা এমন প্রশ্নে মাশহাদ উদ্দিন নাহিয়ান বলেন, এখনই এ বিষয়ে কোনো কিছু বলা সম্ভব নয়। আমরা পরে আপনাদের এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাব।
এদিকে চাঁদপুর পুলিশ কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাইফুল ইসলাম বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ থেকে কল পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে হাজির হয়েছে পুলিশের একটি দল।
চাঁদপুর সদর হাসপাতালে তিনজনকে নিয়ে আসা হলে তার মধ্যে ২ জনকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক আনিসুর রহমান ও নূরে আলম। এছাড়াও বাকি একজন মো. জুয়েলকে (২৮) ওটিতে নিয়ে যাওয়া হয়।
তবে তার অবস্থাও তেমন ভালো না বলে জানিয়েছেন চাঁদপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসকরা। জানা গেছে, জুয়েলের গলার শ্বাসনালি কেটে যাওয়ায় তাকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
একদিকে জাহাজের গীজার মাসুদের দেয়া তথ্যমতে জানা গেছে জাহাজের মালিকের নাম শিপন।
যারা মারা গিয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছে সুকানি আমিনুল ও মাস্টার কিবরিয়া। বাকিদের নাম এখনো জানা যায়নি।
বর্তমানে ঘটনাস্থলে চাঁদপুর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অবস্থান করছেন।










