গাইবান্ধা সদর উপজেলার বাদিয়াখালী রেলস্টেশনের পাশেই রয়েছে দুটি রেল সেতু। সান্তাহার-লালমনিরহাট রেল বিভাগের ১৪টি ট্রেন আপ এবং ডাউনে যাতায়াত করে এ সেতু দিয়ে। তবে পথচারী চলাচলের জন্য সেতুতে নেই বিকল্প সড়ক। অনেকটা ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করতে হয় বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হলেও সেতুর পাশ দিয়ে সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা আপাতত নেই বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বাদিয়াখালী রেলস্টেশন থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে রিফাইতপুর নারিকেলতলার পশ্চিম পাশে দাঁড়ার বাতা নামক স্থানে রয়েছে গজরার সেতু। এর দক্ষিণ পাশে মিয়াপাড়ার কাছে রয়েছে আরেকটি সেতু। বিকল্প সড়ক না থাকায় সুখানদীঘি, দক্ষিণ শিমুলতারী, রিফাইতপুর, নারিকেলতলাসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। এছাড়া বাদিয়াখালী স্টেশন আলিম মাদ্রাসা, বাদিয়াখালী উচ্চ বিদ্যালয়, রহিমা খাতুন সিদ্দিকী মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়সহ তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও প্রতিদিন সেতু দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে।
স্থানীয় বাসিন্দা রানু মিয়া ও বায়েজিদ বোস্তামীসহ কয়েকজন বলেন, ‘সেতুর ওপর দিয়ে আমরা ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছি। আমাদের ছেলেমেয়েরাও যাতায়াত করছে ওই সেতু দিয়ে। তাদের জন্য সেতু দুটি ঝুঁকিপূর্ণ। সেতুর পাশ দিয়ে বিকল্প সড়ক নির্মাণ করা দরকার।’
বাংলাদেশ রেলওয়ের লালমনিরহাট ডিভিশনের সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী মামুনুর রশিদ বণিক বার্তাকে বলেন, ‘সেতু দুটির পাশ দিয়ে সড়ক নির্মাণের কোনো পরিকল্পনা আপাতত আমাদের নেই।’









