খুলনার ডুমুরিয়ায় গৃহবধূ টুম্পা মণ্ডল হত্যা মামলায় স্বামীসহ তিনজনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। অপর এক আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে। আজ সোমবার খুলনার জেলা ও দায়রা জজ মশিউর রহমার চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেছেন।
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন টুম্পার স্বামী ডুমুরিয়ার সেনপাড়া এলাকার পরিমল গাইনের পুত্র প্রসেনজিৎ গাইন (২৭), একই এলাকার অনাদি গাইনের ছেলে অনিমেষ গাইন (২৫) ও কৈ পুকুরিয়া এলাকার বিনয় মণ্ডলের পুত্র বিপ্লব কান্তি মণ্ডল (৩২) এদের মধ্যে প্রসেনজিৎ গাইন (২৭) ও বিপ্লব কান্তি মণ্ডল (৩২) পলাতক। এছাড়া খালাস পেয়েছেন ডুমুরিয়ার সেনপাড়া এলাকার পরিমল গাইনের পুত্র সুদাশ গাইন (২৫)।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে থেকে জানা গেছে, টুম্পা মণ্ডলের সাথে প্রসেনজিৎ গাইনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সুবাদে ২০১৫ সালের ৬ জুলাই তারা বিয়ে করেন। বিয়ের পর পারিবারিক কলহের কারণে ঝগড়া বিবাদে জড়িয়ে পড়েন তারা। ২০১৬ সালের ২ অক্টোবর টুম্পাকে তার স্বামী মারপিট করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন। ৫ দিন পর আপসের কথা বলে টুম্পাকে তার স্বামী প্রসেনজিৎ ফোনে কল করে ডেকে আনেন। এরপর থেকে তাকে খুঁজে পায়নি পরিবার। পরবর্তিতে ৯ অক্টোবর বিকেলে ডুমুরিয়া উপজেলার শোভনা এলাকার ঘ্যাংরাইল নদী থেকে টুম্পার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় টুম্পার ভাই সমিত মন্ডল বাদি হয়ে ডুমুরিয়া থানায় ১০ অক্টোবর হত্যা মামলা দায়ের করেন (নং ৫)।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই খাইরুল ইসলাম ও এস আই কেরামত আলী ২০১৭ সালের ২৫ নভেম্বর ৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় ২৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৬ জনই আদালতে স্বাক্ষ্য প্রদান করেছেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের কৌশুলি ছিলেন, জেলা পিপি শেখ এনামুল হক।









