গণঅধিকার পরিষদের কর্নেল (অব.) মিয়া মশিউজ্জামান নেতৃত্বাধীন অংশের নাম পরিবর্তন করে ‘আমজনতার দল’ রাখা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় রাজধানীর পুরানা পল্টনের প্রীতম জামান টাওয়ারে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দলটির আহ্বায়ক অবসর প্রাপ্ত কর্নেল মিয়া মশিউজ্জামান।
এই পরিবর্তন আগ্রাসনবিরোধী লড়াইয়ের সাংগঠনিক রূপান্তরের প্রতীক এবং জনগণের সঙ্গে আরো সরাসরি সংযোগ স্থাপনের প্রয়াস হিসেবে উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, 'গণঅধিকার পরিষদ’ নামে দলটি ২০২১ সাল থেকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে এসেছে। দলটি বেশ কিছু নৈতিক ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে ২০২৩ সালের ২০ জুন দুই ভাগে বিভক্ত হয়। ড. রেজা কিবরিয়ার নেতৃত্বাধীন গণঅধিকার পরিষদে গতকাল অবধি আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন কর্নেল (অব.) মিয়া মশিউজ্জামান। কাছাকাছি দুই দলের একই নাম হওয়ায় আমাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি ও অনাকাঙ্ক্ষিত দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হচ্ছিল। আগ্রাসনবিরোধী লড়াইকে আরো সুসংহত ও বিস্তৃত করতে পূর্বের সহযোদ্ধাদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব নিরসনে এমন নাম পরিহার করা হয়। এরই অংশ হিসেবে পূর্বের নাম গণঅধিকার পরিষদ পরিবর্তন করে আমজনতার দল নামকরণ করা হয়। এখন থেকে গণঅধিকার পরিষদের কর্নেল (অব.) মিয়া মশিউজ্জামান নেতৃত্বাধীন অংশের নাম 'আমজনতার দল' নামে পরিচিত হবে।
আমজনতার দলের লক্ষ্য ও অঙ্গীকারের বিষয়ে বলা হয়, আমজনতার দল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য হলো আগ্রাসনের হাত থেকে মাতৃভূমিকে সুরক্ষিত রাখার পাশাপাশি, বাংলাদেশের মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। দুর্নীতি প্রতিরোধ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ও কর্মসংস্থানের মতো মৌলিক অধিকার সবার জন্য সহজলভ্য করতে কাজ চালিয়ে যাওয়া কথা জানানো হয়। দলটি অতীতে যেমন ছাত্র, যুবক, প্রবাসী, পেশাজীবী এবং পেশাজীবীদের নেতৃত্বে গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের পক্ষে কাজ করেছে, ভবিষ্যতেও একইভাবে দেশের সব শ্রেণি পেশার মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যাবে বলে জানানো হয়।
আমজনতার দলের ৩টি মূলনীতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়- সার্বভৌমত্ব, স্বনির্ভরতা ও সুশাসন এবং স্লোগান হিসেবে উল্লেখ করা হয় ‘স্বনির্ভর অর্থনীতি, সুশাসনে সমৃদ্ধি’।










