চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথমবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সন্তানের জন্য রাখা ‘পোষ্য কোটা’ বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০ শতাংশ আসন সংখ্যা কমানো ও সব ইউনিটে আবেদনের ন্যূনতম যোগ্যতার জিপিএ কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। গত রোববার (৯ নভেম্বর) চবি উপাচার্যের দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির দ্বিতীয় সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়। এ সময় ভর্তি পরীক্ষার নতুন তারিখ ঘোষণা করা হয়।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ ডিসেম্বর শুরু হবে আবেদন প্রক্রিয়া, চলবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। আগামী ২ জানুয়ারি ‘এ’ ইউনিটের মাধ্যমে শুরু হবে ভর্তি পরীক্ষা। ৩ জানুয়ারি ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা, ৯ জানুয়ারি ‘সি’ ইউনিট ও ১০ জানুয়ারি কলা ও মানববিদ্যা অনুষদভুক্ত ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া উপ ইউনিটগুলোর মধ্যে ‘ডি-১’ এর পরীক্ষা ৫ জানুয়ারি, ‘বি-১’ এর ৭ জানুয়ারি এবং ‘বি-২’ এর পরীক্ষা ৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।

এবারের ভর্তি পরীক্ষায় সব ইউনিটেই আবেদনের ন্যূনতম যোগ্যতার জিপিএ কমানো হয়েছে। ‘এ’ ইউনিটে ন্যূনতম যোগ্যতা নির্ধারিত হয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক (চতুর্থ বিষয়সহ) মোট জিপিএ ৭ দশমিক ৭৫, যেখানে এসএসসিতে ন্যূনতম ৪ এবং এইচএসসিতে ৩ দশমিক ২৫ থাকতে হবে। ‘বি’ ইউনিটে মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের মোট জিপিএ লাগবে ৭, আর বিজ্ঞান ও ব্যবসায় বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ৭ দশমিক ৫০। ‘সি’ ইউনিটে ন্যূনতম জিপিএ ৭ দশমিক ৫০, এবং ‘ডি’ ইউনিটে শিক্ষার্থীদের জন্য ৭ নির্ধারণ করা হয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন বিভাগ থেকে আসন সংখ্যা কমানোর ব্যাপারে আমরা সুপারিশ পেয়েছি। বর্তমানের তুলনায় আনুমানিক ২০ শতাংশ আসন কমে যেতে পারে এবার। তাই এবার কতটি আসন হবে, সেটা এখনো হিসাব হয়নি। মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য কোটা থাকলেও মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিদের জন্য কোনো কোটা নেই। পোষ্য কোটা পুরোপুরি বাতিল করা হয়েছে। বাকি ৯টা কোটা বহাল রাখা হয়েছে।