সারা দেশের মতো নাটোরের সাত উপজেলায়ও শুরু হলো করোনার টিকাদান কর্মসূচি। কিন্তু ব্যতিক্রম ঘটেছে জেলার গুরুদাসপুর ও বড়াইগ্রাম উপজেলায়। টিকাগ্রহণে উৎসাহিত করতে প্রথম দিনে টিকা প্রয়োগের পাশাপাশি দেয়া হয়েছে নগদ টাকাও। স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস এমপি টিকাগ্রহণকারী দুই উপজেলার অন্তত ১৬৭ জনকে ১০০-৫০০ টাকা পর্যন্ত উপহার দিয়েছেন। এ নিয়ে জেলাজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

গুরুদাসপুর উপজেলার পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুজাহেদুল ইসলাম খোকন জানান, প্রথম দিনে তার উপজেলায় মোট ৪০ জন করোনার টিকাগ্রহণের জন্য নিবন্ধন করেছিলেন, কিন্তু নিয়েছেন ২০ জন। সকালে নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস প্রধান অতিথি থেকে এ টিকা প্রয়োগের উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি প্রথম দিনে টিকাগ্রহণকারীদের উৎসাহিত করতে ৪০ জনকে ৫০০ টাকা করে উপহার দেন। তবে ২০ জনের মধ্যে টাকা বিতরণ করা হয়েছে। বাকি টাকা তার কাছে রয়েছে।

সরকারিভাবে রোববার সকাল ১০টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওই টিকাদান কেন্দ্রের উদ্বোধন শেষে ডাক্তার, নার্স, বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ রেজিস্ট্রেশনভুক্ত ৪১ জনকে টিকা দেয়া হয়। অক্সফোর্ডের টিকা পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে নিরাপদ ও গ্রহণযোগ্য। তাই এর কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। করোনামুক্ত থাকতে সবাইকে পর্যায়ক্রমে টিকা নেয়ার আহ্বান জানাই।

অন্যদিকে সংসদ সদস্য অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস এমপির সংসদীয় এলাকা বড়াইগ্রাম উপজেলায় তিনি কভিড-১৯-এর টিকা প্রয়োগের উদ্বোধন করেছেন। সকালে বড়াইগ্রাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপজেলা চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারীকে টিকা প্রদানের মধ্য দিয়ে এ টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।

টাকা প্রদানের বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জন ডা. কাজী মিজানুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে তার জানা নেই। তবে স্থানীয় সংসদ সদস্য যদি উৎসাহিত করার জন্য দিতেই পারেন। এ বিষয়ে পরবর্তী সময় কোনো প্রভাব পড়বে না।